1. editor@islaminews.com : editorpost :
  2. jashimsarkar@gmail.com : jassemadmin :

অবৈধপথে আসছে ভারতীয় নিম্নমানের চা, হুমকির মুখে দেশীয় চা শিল্প!

১৬৬ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ চা উৎপাদনের পরও স্বস্তিতে নেই বাগানের মালিকেরা। অবৈধপথে ভারতীয় নিম্নমানের চা পাতায় দেশের বাজার সয়লাব। এতে চা শিল্পের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ছে বলে দাবি চা ব্যবসায়ী সমিতির। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন চা বাগানের মালিকেরা।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ পর্যন্ত দেশে চায়ের অভ্যন্তরীণ চাহিদার তুলনায় কম উৎপাদন হয়। এই ঘাটতি মেটাতে বাংলাদেশ চা আমদানি শুরু করে। এই সুযোগে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে দেশে আসতে থাকে ভারতের নিম্নমানের চা। এই চা পাতা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

ভারতীয় চায়ে বাজার সয়লাবে শঙ্কিত চা ব্যবসায়ীরা। টি প্ল্যান্টার্স এন্ড ট্রেডার্স এসোসিয়েশন বাংলাদেশের পরিচালক জহর তরফদার জানান, অবৈধ পথে চা আনা বন্ধ না হলে বাংলাদেশের এই চা শিল্পের একদিন দুর্দিন আসবে। এবং এই শিল্পে বিনিয়োগ কমে আসবে। পাঁচ বছর পর দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদার তুলনায় চা উৎপাদন বেশি হয়েছে গত মৌসুমে।

এখনো যদি আমদানি বন্ধ করা না হয় তবে চা শিল্প বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে দাবি চা বাগান মালিকদের। মৌলভীবাজার ক্লোনেল টি কোম্পানী ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যক্ষ সৈয়দ মনসুরুল হক জানান, কর্তৃপক্ষের যথাযথভাবে এ দিকে নজর দিতে হবে। অবৈধভাবে চা না আসলে, চা শিল্প দেশের বাজারে বড় অবদান রাখবে।

মৌলভীবাজার পাহাড়ি টি কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম মনির জানান, ভারত থেকে অবৈধভাবে চা আসা সরকারকে দ্রুত বন্ধ করতে হবে। ২০১৯-২০ মৌসুমে দেশে চা উৎপাদন হয় ৯ কোটি ৬০ লাখ কেজি। গত বছর দেশের অভ্যন্তরীণ চায়ের চাহিদা ছিলো ৯ কোটি ৫২ লাখ কেজি। তথ্যসূত্র: সময় নিউজ।

More News Of This Category