1. [email protected] : editorpost :
  2. [email protected] : jassemadmin :

ইচ্ছাশক্তি নিয়ে এগিয়ে যান কাজে!

যখনই নিজের চাওয়া সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন, তখনই সেটা নোট করে রাখুন। যতটা সম্ভব নিজের চাওয়াটাকে সুনির্দিষ্ট করুন। মনে যা যা এসেছে, তা পুঙ্খানুপুঙ্খ লিখুন। তবে এ ইচ্ছাটা নোটবুকে টুকে রেখে ভুলে গেলে চলবে না।

দিনে একবার হলেও আপনার লক্ষ্যের বিষয়টা পড়ুন। চাইলে লক্ষ্য সম্পর্কে নতুন করেও লিখতে পারেন অথবা এর সঙ্গে নতুন কিছু যুক্ত করতে পারেন। পড়ার সময় অনুভব করুন এগুলো আপনার আয়ত্তের মধ্যেই আছে। নিজের ইচ্ছাশক্তি নিয়ে সেগুলো কার্যকর করার চেষ্টা করুন। ভাবনা থেকেই সবকিছুর শুরু।

কিছু ভাবনা আপনাকে সফলতা এনে দেবে, আবার কোনো ভাবনার ফলে আপনি অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে ব্যর্থ হবেন। আপনি যদি লক্ষ্য ছুঁতে চান, তবে বাধা তৈরি করে এমন ভাবনা ও বিশ্বাস ঝেড়ে ফেলুন। এটা খুব কঠিন কিছু নয়। শুধু চর্চা শুরু করুন এবং নিজের ভাবনা ও বিশ্বাসগুলোর ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকুন।

উদাহরণস্বরূপ আপনি যদি আর্থিক সফলতা পেতে চান, তবে ‘সারা জীবনে দারিদ্র্য কাটবে না’ কিংবা ‘আমার হাতে অর্থ থাকে না’ এ ধরনের ভাবনা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। একদিনেই হয়তো ভাবনার পরিবর্তন আসবে না, তবে কয়েক দিন চেষ্টা করলে সেটা অবশ্যই সম্ভব।

বিশ্বাস রাখুন, যে কোনো বাধা মোকাবিলা করেই আপনি লক্ষ্যে পৌঁছবেন। আপনার চিন্তাভাবনা ও বিশ্বাস যখন নিয়ন্ত্রণে, তখন লক্ষ্য অর্জনের পথে আপনি বড় ধাপ এগিয়ে গেলেন। কিন্তু আরো কিছু বিষয় যোগ করলে আপনার এগিয়ে যাওয়ার গতি বেড়ে যাবে। এর মধ্যে অন্যতম ই-মোশন (এনার্জি ইন মোশন)। লক্ষ্যের দিকে তীব্র ভালোবাসা ও আবেগ নিয়ে এগোতে হবে।

প্রথমদিকেই লক্ষ্যের বিষয়ে এ ধরনের অনুভূতি হয়তো তৈরি হবে না। তাই চাওয়া তীব্র করতে কিছু নিয়ম মানতে হবে। এর মধ্যে অন্যতম দিবা স্বপ্ন! দিনে একাধিকবার ভাবুন, এরই মধ্যে আপনার কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছে গেছেন। সব আবেগ যুক্ত করুন, বিষয়টিকে দেখুন, অনুভব করুন, শুনুন, যতটা সম্ভব জীবন্ত করে তুলুন। যা করছেন সেটা যদি আপনাকে আনন্দ দেয়, তবে ভেবে নিন, শতভাগ ঠিক কাজ করছেন। বিশ্বাস না রাখলে সফলতা আসবে না। আর ভাবনা নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে এটাও বাড়তে থাকবে।

বিশ্বাস যত শক্ত হতে থাকবে, লক্ষ্যের দিকে এগোনো ততই গতিশীল হবে। নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, কোন বিষয়গুলো আপনার বিশ্বাসকে শক্ত রাখতে সাহায্য করে। যা কিছুতে আপনি আত্মবিশ্বাস হারান, সেগুলো অতিক্রম করার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে যারা আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করবে, এমন মানুষের সঙ্গে কথা বলুন।

মনে রাখবেন, আপনার কাংখিত লক্ষ্যে এর আগে হয়তো অনেকেই পৌঁছেছে। হয়তো আপনার চেয়েও বেশি বাধা তারা অতিক্রম করেছে। তাই নিজের প্রতি বিশ্বাস হারাবেন না। নিজের ভাবনাকে কতটুকু নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছেন কিংবা কল্পনার চোখে সফলতা কতটুকু দেখেছেন, এগুলো কোনো কাজেই আসবে না, যদি না কাজ শুরু করেন।

তবে যে কাজটা করছেন, তার প্রতি পূর্ণ আগ্রহ থাকাটা জরুরি। এমনও সময় আসতে পারে যখন খুবই বিরক্তিকর অধ্যায় পেরোতে হচ্ছে, তখনই হলো আপনার আসল পরীক্ষা। তাই কাজ শুরু করুন। কিন্তু নিজেকে জোর করে কাজে ঠেলবেন না। যেভাবে এগোতে আনন্দ পান, সেভাবেই করে যান। সময় একটু বেশি লাগলেও, আগ্রহ নিয়ে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়াই ভালো।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

More News Of This Category