1. [email protected] : editorpost :
  2. [email protected] : jassemadmin :

কিস্তিতে মোটরসাইকেল কিনতে চাইলে করনীয়!

নতুন একটি মোটরসাইকেল ব্যবহারের ইচ্ছা সব বাইকারের থাকে, কিন্তু অনেক সময় ইচ্ছা থাকলেও নতুন বাইক কিনা হয় না। কিন্তু এখন আপনি চাইলেই আপনার পছন্দের মোটরসাইকেলটি কিস্তিতে কিনতে পারেন। আমাদের অনেকের মনেই একটি প্রশ্ন আছে সেটা হলো, কিস্তিতে মোটরসাইকেল কিনতে চাই কি করনীয়?

আমাদের দেশে এখন অধিকাংশ মোটরসাইকেল কোম্পানি কিস্তিতে বাইক দিচ্ছে। আপনি চাইলে আপনার প্রিয় মোটরসাইকেলটি এখন কিস্তিতে কিনে নিতে পারবেন। কিস্তিতে মোটরসাইকেল কিনতে হলে আপনাকে অবশ্যই কিছু ডকুমেন্ট জমা দিতে হবে, আজ আমরা এই সম্পর্কে আলোচনা করবো।

যদিও একেক কোম্পানির কিস্তির নিয়ম একেক রকম, কিন্তু কিছু নিয়ম সব কোম্পানির একই রকম। বর্তমানে আমাদের দেশে ইয়ামাহা, বাজাজ, টিভিএস, হিরো, রানার ইত্যাদি কোম্পানিগুলো বাইকারদের কিস্তিতে মোটরসাইকেল কেনার সুযোগ করে দিচ্ছে। যার ফলে একজন বাইকার চাইলে খুব সহজে তার পছন্দের বাইকটি কিনতে পারবেন।

কিস্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: ঠিকানার প্রমাণ দলিল: কোনও এক মাসের ইউটিলিটি বিল হলে শেষ তিন মাস পরিচয়: এনআইডি / পাসপোর্ট ব্যাঙ্কের বিবৃতি: সর্বশেষ ০৩ থেকে ০৬ মাস ব্যাংকের বিবৃতি বা কেবল সক্রিয় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট / বিবৃতি বাধ্যতামূলক বা ব্যাংক সলভেন্সি প্রশংসাপত্র গ্রহণযোগ্য

কর্মচারী প্রুফ ডকুমেন্টস (ব্যবসায়ী):আপডেট ট্রেড লাইসেন্স জমা দিতে হবে, তবে সেটা চলমান এক বছরের না হলেও হবে। কর্মচারী প্রুফ ডকুমেন্টস: বেতন বেতন স্লিপ / বেতন প্রশংসাপত্র পেমেন্টের ধরণ: এমআইসিআর চেক বা একটি সিকিউরিটি এমআইসিআর / নন এমআইসিআর চেক (অনলাইন শাখা) প্রাপ্ত (তারিখ ব্যতীত)। নগদ ডিএস / বিকাশ / রকেট দ্বারা মাসিক Installment সংগ্রহ।

গ্যারান্টারের বিকল্প: দুর্বল পক্ষের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস, গ্যারান্টরকে জিজ্ঞাসা করুন, গ্যারান্টারের কাছ থেকে প্রাপ্যগুলি জিজ্ঞাসা করুন (গ্যারান্টর ফটো, এনআইডি কপি, পোস্ট তারিখের চেক সরবরাহ করবে, গ্যারান্টার এফিডেভিট ২০০ টাকার স্ট্যাম্প পেপারে লেখা থাকবে (নোটারিযুক্ত অনুলিপি)। কোম্পানির ধরণ: লেটার হেড এবং পোস্ট তারিখের চেকের উপর গ্যারান্টর এফিডেভিট সরবরাহ করবে সংস্থা।

কিস্তিতে মোটরসাইকেল কেনার সুবিধাঃ কিস্তিতে বাইক কেনার বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে, সেগুলো হলোঃ ১- যেকোন ব্র্যান্ডের বাইক কিনিতে পারবেন। ২-এককালীন বেশি টাকা খরচ হবে না। ৩-অল্প টাকায় অত্যাধুনিক ফিচারের বাইক নিতে পারবেন। ৪-স্বল্প সময়ের মধ্যে পছন্দের বাইক কিনতে পারবেন।

কিস্তিতে মোটরসাইকেল কেনার অসুবিধাঃ কিস্তিতে মোটরসাইকেল কেনার যেমন সুবিধা রয়েছে ঠিক তেমনি অসুবিধাও রয়েছে, সেগুলো হলোঃ ১- বাজার মূল্যের চেয়ে বেশি ইন্টারেস্টে বাইকের মূল্য দিতে হয়। ২- বাইকের কোন ক্ষতি হলে অথবা চুরি হলেও আপনাকে টাকা দিতে হবে। ৩- সম্পুর্ণ টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত আপনাকে মানসিক চিন্তায় থাকতে হবে।

আমাদের দেশে এখন অধিকাংশ কোম্পানিগুলো কিস্তিতে বাইক দিচ্ছে, যদিও একেক কোম্পানি থেকে কিস্তিতে বাইক কেনার নিয়ম একেক রকম। কিন্তু আপনি যে কোম্পানি থেকেই বাইক কিনবেন আপনাকে অবশ্যই বেসিক কিছু ডকুমেন্ট জিমা দিতে হবে। এই ডকুমেন্টগুলো নিয়েই ছিলো আমাদের আজকের আলোচনা।

More News Of This Category