1. [email protected] : editorpost :
  2. [email protected] : jassemadmin :

গ্রামীনফোনের কাছে সরকারের পাওনা ১২ হাজার কোটি টাকা

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) পরিচালিত অডিটে গ্রামীণফোনের কাছে ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা পাওনা বলে জানিয়েছে। তবে এ দাবিকে “আইনগতভাবে ভিত্তিহীন” বলে অভিহিত করেছে গ্রামীণফোন। বিটিআরসিকে দেয়া গ্রামীণফোনের এক চিঠিতে এ তথ্য উঠে এসেছে। কোম্পানিটি এই যু্ক্তিহীন অডিট প্রত্যাহার করার দাবিও জানিয়েছে।

গ্রামীণফোনের বিবৃতি থেকে জানা গেছে, বিটিআরসি ২ এপ্রিল ২০১৯ সালে একটি দাবিনামার মাধ্যমে গ্রামীণফোনের কাছে বিটিআরসিকে ৮ হাজার ৪৯৪ কোটি ১ লাখ টাকা এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে ৪ হাজার ৮৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা পরবর্তী ১০ কর্মদিবসে পরিশোধ করার নির্দেশ দেয়।

বিটিআরসি নিয়োগকৃত জেভিসিএ অব তাহো খান জামান এ্যান্ড কো. নামের একটি অডিট ফার্ম গ্রামীণফোনের ১৯৯৭ সালের যাত্রা থেকে শুরু করে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সময়ে ইনফরমেশান অ্যান্ড সিস্টেম অডিট পরিচালনা করে এই টাকা দাবি করে।

এই অডিটে বিটিআরসি দাবিকৃত ৮ হাজার ৪৯৪ কোটি ১ লাখ টাকার মধ্যে প্রায় ৭৩ শতাংশ বা ৬ হাজার ১৯৪ কোটি ৩ লাখ টাকাই সুদ; যা ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ধরা হয়েছে। এর আগে বিটিআরসি আর একটি ইনফরমেশান অ্যান্ড সিস্টেম অডিটের মাধ্যমে ১৯৯৭ থেকে ২০১১ সালের সময়কালে গ্রামীণফোনের কাছ থেকে ৩ হাজার ৩৪ কোটি টাকা পাবে বলে দাবি করে।

সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ সেই অডিটের অডিটর নিয়োগকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়। বিটিআরসি ১৯৯৭-২০১১ সময়কালের পূর্ববর্তী অডিটের দাবি নিয়ে আদালতে একদিকে তাদের আইনগত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে অন্যদিকে ১৯৯৭ থেকে ২০১৪ সালের অডিটে এখন ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা দাবি করছে।১৯৯৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত সময়কালের জন্য বিটিআরসি দুটি দাবি করছে।

এ ব্যাপারে গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল ফোলি বলেন, নিয়ন্ত্রণ সংস্থার সাথে অনেকবার আলোচনা এবং অডিটরকে পর্যাপ্ত সহযোগিতা করার পরেও আমাদের যুক্তিগুলো অডিট প্রতিবেদনে প্রতিফলিত না হওয়া খুবই দুঃখজনক। অডিট চলাকালীন আমরা বার বার অডিট প্রক্রিয়ার ত্রুটিগুলো তুলে ধরেছি।কিন্তু আমাদের মতামতকে দাবিনামায় সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে।”

২০১৮ সালের আগস্ট মাসে বিটিআরসি গ্রামীণফোনকে অডিটের প্রতিবেদনের উপরে আনুষ্ঠানিক জবাব দিতে বলে।গ্রামীণফোন নির্ধারিত সময়ে সেপ্টেম্বর, ২০১৮সালে বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও যুক্তি দাখিল করে। কিন্তু বিটিআরসি তাদের দাবিনামায় শুধু ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে পর্যন্ত দেয়া গ্রামীণফোনের ব্যাখ্যা আমলে নিয়েছে।

রাজস্ববোর্ডের পাওনা বিষয়ে (যেটি মোট দাবিকৃত টাকার ৩২ শতাংশ)গ্রামীণফোনের বক্তব্য হলো –রাজস্ব বোর্ডের হয়ে টাকা দাবি করার কোনও এখতিয়ার বিটিআরসির নেই। তথ্যসূত্র: আরটিভি অনলাইন।

More News Of This Category