1. editor@islaminews.com : editorpost :
  2. jashimsarkar@gmail.com : jassemadmin :
সফলতার গল্প :

ঘড়ি প্রেমীদের জন্য দামী ঘড়ি

ঘড়ি পরতে পছন্দ করেন না, এমন মানুষ কমই আছে। আবার অনেকেই আছেন যারা এক্সক্লুসিভ ডিজাইনের ঘড়ি সংগ্রহ করতে পছন্দ করেন। যেখানেই যান না কেন, একটা করে ঘড়ি কিনে থাকেন। যারা সবসময় বিলাসবহুল ঘড়ির সন্ধান করে থাকেন, তাদের কাছে বামফোর্ড নামটি পরিচিত। বামফোর্ড ওয়াচ ডিপার্টমেন্ট, যার প্রতিষ্ঠাতা জর্জ বামফোর্ড।

ইউনিক সব ঘড়ির কারখানা এ বামফোর্ড। বামফোর্ডের বৈচিত্র্যময় ও ব্যতিক্রমধর্মী ঘড়িগুলো ডিজাইন করেন ডিজাইনার ব্লাক বেজার। সম্প্রতি বামফোর্ড প্রতিষ্ঠানটি ব্লাক বেজারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বেশ কয়েকটি ইউনিক হাতঘড়ি তৈরি করেছে। যারা দামি ও অভিনব ডিজাইনের হাতঘড়ি কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি খুশির খবর।

ব্লাক বেজার ১০টি লিমিটেড সংস্করণের ‘ট্যাগ হুয়ার কেরেরা ক্যালিব্রি ৫ এস’ ঘড়ি তৈরি করেছে। এ ধরনের ঘড়ি বেছে নেয়ার কারণ হিসেবে সম্প্রতি বামফোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা জর্জ বামফোর্ড বলেন, ঘড়িগুলো সাধারণ ডিজাইনের, উপরের অংশটুকু গোলাকার। এছাড়া ঘড়িগুলোর উইন্ডো খুব ভালো কাজ করে। যে কারণে এ ডিজাইনের ঘড়িগুলো বেশ পছন্দের।

এখনকার ঘড়িগুলো হয়ে থাকে উন্নত প্রযুক্তির। সময় দেখার পাশাপাশি নানা কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায় এসব ঘড়ি দিয়ে। ট্যাগ হুয়ার কেরেরা ক্যালিব্রি ৫—ডিজাইনের ঘড়িগুলোও উন্নত প্রযুক্তির, আধুনিক ও নান্দনিক। এসব ঘড়ির কয়েকটিতে ক্ল্যাসিক ভাবও রয়েছে। যারা ক্ল্যাসিক ডিজাইনের হাতঘড়ি পছন্দ করেন, তারা এ ঘড়িগুলো কিনতে পারেন।

লিমিটেড সংস্করণের হলেও কালারে রয়েছে ভিন্নতা। একই ডিজাইনের বেশ কয়েক কালারের ঘড়ি পাওয়া যাবে। ফলে রঙ নিয়ে ভাবনার কিছু নেই। বিলাসবহুল এ ঘড়িগুলো তৈরিতে ক্রিস্টেল ও স্টিল ব্যবহার করা হয়েছে। ঘড়িগুলোর আকার ৩৯ মিলিমিটার। ঘড়ির বডিতে পলিশড স্টিল ব্যবহার করা হয়েছে। ঘড়ির উভয় পাশ ক্রিস্টেল দিয়ে তৈরি।

হাতে দামি ঘড়ি পরলেন, কিন্তু কোনোভাবে যদি ঘড়িটি পানিতে ভিজে যায়? এ সমস্যারও সমাধান রয়েছে। পানিতে ভেজার বিষয়টি মাথায় রেখেই ডিজাইনার ঘড়িগুলো তৈরি করেছেন। নতুন এ ডিজাইনের ঘড়িগুলো ওয়াটারপ্রুফ। ১০০ মিটার পর্যন্ত এগুলো পানি প্রতিরোধ করতে পারবে। তাই আর চিন্তা কি!

ব্যতিক্রমী এ ঘড়িগুলোর ওয়াইন্ডিং সিস্টেম অটোমেটিক। সেকেন্ড, মিনিট, ঘণ্টা, তারিখ সব ধরনের ফাংশন রয়েছে। ঘড়ির ব্যালান্স ফ্রিকোয়েন্সি ঘণ্টায় ২৮ হাজার ৮০০ ভাইব্রেশন। ঘড়ির স্ট্রাপ অর্থাৎ যেটাকে ঘড়ির ফিতা বলেই সবাই চেনে, সেটি স্টিলের তৈরি। অন্যান্য ঘড়ির তুলনায় এ ঘড়িগুলোর বিশেষত্ব হলো এখানে দ্রুত তারিখ সংশোধন করা যায়।

এ ডিজাইনের ঘড়িগুলোর ডায়াল কালো রঙের। অধিকাংশ মানুষরই কালো রঙের প্রতি বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে। কালো রঙের প্রতি দুর্বলতার কারণে ব্যবহার্য জিনিসপত্রও কালো রঙের নিয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে কালো ডায়ালযুক্ত এ ঘড়িগুলো কিনতে পারেন। ডায়ালে ট্যাগ হুয়ার লেখা লোগো রয়েছে। দামি এ ঘড়িগুলোর ডায়াল তৈরিতে রোডিয়াম ধাতব ব্যবহার করা হয়েছে।

নতুন ডিজাইনের ঘড়িগুলোর ভেতর-বাইরে সম্পর্কে তো জানা হলো। ভাবছেন ইউনিক ডিজাইনের এ ঘড়িগুলোর দাম কী রকম হবে, তাই তো? খুব বেশি নয়। আপনার সাধ্যের মধ্যেই পেয়ে যাবেন বামফোর্ড ও বেজের তৈরি ব্যতিক্রমী এ ঘড়ি। আপনি ২ হাজার ৫০০ ডলারের বিনিময়ে পেতে পারেন বিলাসবহুল এ ঘড়ি। ঘড়িপ্রেমীদের কাছে মূল্য নয়, বরং ডিজাইনটাই মুখ্য হয়ে ওঠে। সূত্র: লাক্সারি লন্ডন

More News Of This Category