1. editor@islaminews.com : editorpost :
  2. jashimsarkar@gmail.com : jassemadmin :

চীনের ইলেকট্রিক কার কোম্পানী রাতারাতি বিশ্বের বৃহৎ মাস্ক কোম্পানী

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের পর এক মাসের মধ্যে বৃহৎ নতুন প্রোডাকশন লাইন খুলে ফেলেছে চীনের বাইড কোম্পানি। চীনা এ বৈদ্যুতিক কার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষক মার্কিন ধনকুবের ওয়ারেট বাফেট। কোম্পানি দাবি করছে, এক মাসের কম সময় হলো তারা ফেস মাস্ক উৎপাদন শুরু করেছে। আর এরই মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম মাস্ক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

আজ শুক্রবার কোম্পানির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, তারা দৈনিক ৫০ লাখ মাস্ক তৈরির সক্ষমতা রাখে। ক্রমেই এ সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। এ কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন ওয়াং চুয়ানফু। অবকাঠামো নির্মাণে কাজ করেছেন ৩ হাজার প্রকৌশলীর একটি দল। মাস্ক তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদানের ৯০ শতাংশই আসে গৃহস্থালীর বর্জ্য থেকে। তবে তারা ঠিক কোন ধরনের মাস্ক বানায় তা পরিষ্কার করে বলা হয়নি।

করোনা প্রাদুর্ভাবের পর মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের চাহিদা অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে। চীনসহ অনেক দেশেই এ দুটি পণ্যের তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ব্যবসার সুবর্ণ সুযোগ নিতে অন্য পণ্য প্রস্তুত করে এমন অনেক কোম্পানিই তাদের প্রোডাকশন লাইন সম্পূর্ণ পরিবর্তন অথবা সংযোজন করে মাস্ক তৈরি শুরু করেছে। বিশ্বে সর্বাধিক মাস্ক তৈরি হয় চীনে।

দেশটির ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিফর্স কমিশনের হিসাবে, চীনে মাস্ক তৈরি ব্যাপকভাবে বাড়ানো হয়েছে। ২২ ফেব্রুয়ারিতে মাস্ক উৎপাদন ১ ফেব্রুয়ারির তুলনায় ২ দশমিক ৮ গুণ বেড়ে দৈনিক ৫ কোটি ৪৮ লাখে দাঁড়ায়। অবশ্য বাইডই যে এখন বিশ্বের শীর্ষ মাস্ক প্রস্তুতকারক কোম্পানি এটি তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে তুলনা করা মুশকিল।

কারণ চীনের অনেক কোম্পানিই এখন এ পণ্যটির উৎপাদন বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে ৩এম কোম্পানি জানিয়েছে, তারা মাসে কয়েক মিলিয়ন মাস্ক তৈরি করছে। অবশ্য সুনির্দিষ্ট সংখ্যা তারা বলছে না। ওয়াং চুয়ানফু বাইড প্রতিষ্ঠা করেন ১৯৯৫ সালে। শুরুতে মোবাইল ফোনের ব্যাটারি তৈরি করতো এ কোম্পানি। এরপর ক্রমেই ব্যবসায় বৈচিত্র্য আসে এবং এক পর্যায়ে গিয়ে বৈদ্যুতিক গাড়ি, গাড়ির ব্যাটারি, মনোরেল এবং সেমিকন্ডাক্টর তৈরি শুরু করে।

সর্বশেষ সংযোজন ফেস মাস্ক এবং জীবাণুনাশক। এদিকে গুয়াংঝু অটোমোবাইল গ্রুপ, পেট্রোলিয়াম জায়ান্ট সিনোপেক এবং আইফোন সংযোজন প্রতিষ্ঠান ফক্সকন মাস্ক তৈরি শুরু করেছে। এভাবে বড় কোম্পানির তাৎক্ষণিকভাবে নতুন পণ্য তৈরির প্রোডাকশন লাইন খুলতে পারা ম্যানুফ্যাকচার খাতে চীনের সক্ষমতাকেই প্রকাশ করে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। সূত্র: ব্লুমবার্গ

More News Of This Category