1. [email protected] : editorpost :
  2. [email protected] : jassemadmin :

চীনের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য আলোচনায় প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে চীনকে দুষলেন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি রবার্ট লিথিজার। তবে বাণিজ্য শুল্ক নিয়ে এখনো একটি চুক্তিতে যাওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

লিথিজার বলেন, চীন প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করেনি বলেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তবে ওয়াশিংটনে চীনা প্রতিনিধিরা আগামী বৃহস্পতিবার আরেক দফা আলোচনা হবে বলে আশা করছেন—এমনটাও বলেন তিনি। ট্রাম্প এক টুইটবার্তায় বলেন, চীন থেকে ২০০ বিলিয়ন ডলার পণ্য আমদানিতে দ্বিগুণ হারে শুল্ক আরোপ করা হবে। নতুন পণ্যের ওপরও শুল্কের খড়্গ বসবে।

এরপরসাংবাদিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে লিথিজার নতুন শুল্ক আরোপের পেছনে চীনের দায় রয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে বলেন, ‘গত সপ্তাহে আলোচনায় আমরা দেখেছি, চীন প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে, যা অগ্রহণযোগ্য বলে আমরা মনে করি।’ তিনি অভিযোগ করেন, প্রায় চূড়ান্ত হয়ে যাওয়া বাণিজ্য চুক্তির খসড়ায় চীন উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছে।

এখনো আলোচনা চলতে পারে—এমন আভাস দিয়ে লিথিজার বলেন, ‘আমরা এ পর্যায়ে এসে আলোচনা ভেঙে দিচ্ছি না। তবে শুক্রবার থেকে নতুন শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে।’ এ সংবাদের পর যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পুঁজিবাজারে সূচকের ব্যাপক দরপতন হয়। গতকাল লেনদেন শেষে যুক্তরাষ্ট্রের ডাও জোনস সূচক কমে শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ। চীনের সাংহাই কম্পোজিট সূচক কমে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ।

রোববার এক টুইটে ট্রাম্প বলেন, নির্দিষ্ট যেসব পণ্যের ওপর বর্তমানে ১০ শতাংশ হারে শুল্ক নেওয়া হয়, সেগুলোর হার বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে। ৩২৫ বিলিয়ন ডলারের যেসব পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পেত, সেগুলোকেও ২৫ শতাংশ হারে শুল্কের আওতায় আনা হবে।

ওই টুইটে ট্রাম্প বলেন, চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে, তবে তা খুবই ধীরগতিতে। তাই আর নয়। অথচ কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই পক্ষের আলোচনায় মনে হচ্ছিল, একটি বাণিজ্য চুক্তিতে স্থির হতে হচ্ছে দুই দেশ। এর আগে চীন থেকে ২৫০ বিলিয়ন ডলার আমদানিতে শুল্ক বসায় যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ১১০ বিলিয়ন ডলার পণ্য আমদানিতে শুল্ক বসায় চীন।

More News Of This Category