1. editor@islaminews.com : editorpost :
  2. jashimsarkar@gmail.com : jassemadmin :
সফলতার গল্প :
বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে টাকা বিনিয়োগ করে ঝুঁকিমুক্ত মুনাফা ঘরে তুলুন! খালি হাতে ঢাকায় এসে ৯০ হাজার টাকায় শুরু খেলনার কারখানায় এখন ৮০০ কর্মী! ব্যাংকের এফডিআর হিসাবে টাকা রাখলে যেভাবে দ্বিগুণ হবে! ৫ টি গরু দিয়ে শুরু খামারে এখন দুই কোটি টাকা দামের ৯৬টি গরু! শখের বসে করা ছাগলের খামারে তিন বছরে ১৫ লাখ টাকার বাজিমাত! ৫০ হাজার টাকায় শুরু করা গরু-ছাগলের খামারে চার যুবকের ভাগ্য বদল! বিদেশ যেতে লাখ লাখ টাকা ব্যয় না করে ছাগলের খামারে বেশী আয় সম্ভব! গয়াল পালন, গরু মোটাতাজাকরন ও বায়োফ্লকে মোটা অংকের টাকা লোন! মাত্র ৯ হাজার টাকা লোন নিয়ে হাঁসের খামার করে মাসে আয় ৩৫ হাজার! চাকরীর পেছনে না ছুটে গয়ালের খামার করে বাজিমাত!

জাপানে অফিস টাইমের আগে ট্রেনে চড়লে খাবার ফ্রি

অফিস টাইমে ট্রেনের যাত্রীর চাপ কমাতে নতুন এক কৌশল হাতে নিয়েছে জাপান। দেশটির রাজধানী টোকিওর ব্যস্ত পাতালরেল সড়কে অফিস টাইমের আগে যাঁরা ট্রেনে চড়ে গন্তব্যে ছুটবেন, তাঁদের জন্য থাকছে ফ্রি খাবার।

সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, প্রতিদিন প্রায় ৭২ লাখ মানুষ টোকিওর বিভিন্ন রেলপথ ব্যবহার করেন। এর মধ্যে অফিস টাইমে কিছু রুটে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে টোজাই রুটে। এই রুটে অফিস টাইমের আগে ভ্রমণে উৎসাহিত করতে খাবার সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ওই রুটে আগামী দুই সপ্তাহ অফিস টাইমের আগে যাত্রা করা অন্তত দুই হাজার যাত্রীর প্রত্যেককে টেমপুরা (সিফুড) দেওয়া হবে। এই রুট তত্ত্বাবধানে রয়েছে টোকিও মেট্রো কোম্পানি।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ২ হাজার ৫০০ যাত্রী কার্যক্ষেত্রে ট্রেন চেপে যান, তবে তাঁরা ফ্রি পাবেন সোবার (নুডুলস) বাটি। আর যাত্রীর সংখ্যা যদি দাঁড়ায় ৩ হাজারের বেশি, তবে তাঁরা প্রত্যেকে পাবেন একটি করে কম্বো (বিশেষ খাবার), সোবা ও টেমপুরা।

পিক আওয়ারের বাইরে ট্রেন যাত্রায় উৎসাহিত করতেই দুই সপ্তাহের জন্য এই উদ্যোগ নিয়েছে জাপান মেট্রোপলিটন সরকার। প্রায় ১ হাজার ব্যবসায়প্রতিষ্ঠান এই কার্যক্রমে অংশ নিয়েছে। সকাল ৭টা ৫০ থেকে ৮টা ৫০ মিনিটের মধ্যে টোজাই রুটে ৭৬ হাজারের বেশি যাত্রী চলাচল করেন।

টোকিও মেট্রোর মুখপাত্র টেকশি ইয়ামাশিতা বলেন, ওই রুটের ট্রেনগুলোর ১৯৯ শতাংশ চলাচলে সক্ষমতা রয়েছে। যা এখনো নিরাপদ। তবে অফিস টাইমে যাত্রীদের এমন গাদাগাদি করে যেতে হয় যে, তাঁদের শরীর নড়াচড়া করা কঠিন হয়ে যায়।

তিনি বলেন, ‘এই রুট আমাদের সবচেয়ে জনাকীর্ণ। যাত্রীদের ধকল কমাতে আমরা সব সময় চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

More News Of This Category