1. editor@islaminews.com : editorpost :
  2. jashimsarkar@gmail.com : jassemadmin :
সফলতার গল্প :
বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে টাকা বিনিয়োগ করে ঝুঁকিমুক্ত মুনাফা ঘরে তুলুন! খালি হাতে ঢাকায় এসে ৯০ হাজার টাকায় শুরু খেলনার কারখানায় এখন ৮০০ কর্মী! ব্যাংকের এফডিআর হিসাবে টাকা রাখলে যেভাবে দ্বিগুণ হবে! ৫ টি গরু দিয়ে শুরু খামারে এখন দুই কোটি টাকা দামের ৯৬টি গরু! শখের বসে করা ছাগলের খামারে তিন বছরে ১৫ লাখ টাকার বাজিমাত! ৫০ হাজার টাকায় শুরু করা গরু-ছাগলের খামারে চার যুবকের ভাগ্য বদল! বিদেশ যেতে লাখ লাখ টাকা ব্যয় না করে ছাগলের খামারে বেশী আয় সম্ভব! গয়াল পালন, গরু মোটাতাজাকরন ও বায়োফ্লকে মোটা অংকের টাকা লোন! মাত্র ৯ হাজার টাকা লোন নিয়ে হাঁসের খামার করে মাসে আয় ৩৫ হাজার! চাকরীর পেছনে না ছুটে গয়ালের খামার করে বাজিমাত!

জেনে নিন ইলেকট্রিক পণ্যের দরদাম!

দেশে সবচেয়ে বেশি ইলেকট্রনিক পণ্যের দোকান রয়েছে রাজধানীর নবাবপুর এলাকায়। এখানকার কয়েক হাজার দোকানে পাইকারি ও খুচরা পণ্য বিক্রি হয়। দামও তুলনামূলক কম। এ ছাড়া গুলশানের ডিসিসি মার্কেট, মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটসহ বেশির ভাগ সিটি করপোরেশন মার্কেটগুলোতে এ ধরনের দোকান রয়েছে অনেক। এ ছাড়া অন্যান্য শহরে গড়ে ওঠা শপিং মলগুলোর পাশাপাশি গলির দোকানেও এখন তার, বাল্ব, সকেটসহ বিভিন্ন ইলেকট্রিক পণ্য মেলে।

বাল্ব: ঘরে স্বচ্ছ আলো পেতে রুমের পরিমাপ অনুযায়ী বাল্ব ব্যবহার করার নিয়ম। স্বচ্ছ সাদা আলো পেতে সাধারণত এনার্জি সেভিংস ও এলইডি বাল্ব ব্যবহার করা হয়। ওয়াটের কমবেশির ওপর দাম নির্ভর করে। বাজারে ট্রান্সটেক ব্র্যান্ডের ৩২ ওয়াটের বাল্ব বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়। এ ছাড়া ২৪ ওয়াট ২৪০, ১৪ ওয়াট ১৮০, ৮ ও ৫ ওয়াট ১৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

একইভাবে সুপারস্টার, ক্লিক, এনার্জিপ্যাক ব্র্যান্ডের বাল্বের দামও অনেকটা একই। এগুলোর মধ্যে দামের পার্থক্য ওয়াটভেদে ১০ থেকে ২০ টাকার মতো। সবগুলোতেই পাওয়া যাবে এক বছরের ওয়ারেন্টি। সাধারণ বাল্বের পাশাপাশি বাজারে এখন এলইডি লাইটের চাহিদা বেড়েছে। এলইডি লাইট ট্রান্সটেকের ১৩ ওয়াট কিনতে খরচ করতে হবে ২৬০ টাকা। ১৫ ওয়াট ২৭০ টাকা, ১৮ ওয়াট ৩৩০ টাকা, ২০ ওয়াট ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এনার্জিপ্যাকের ২০ ওয়াটের দাম ৩৮০ টাকা, ১৮ ওয়াট ৩৪০ টাকা।

বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পরও কিছু সময় আলো দেবে এমন বাল্বও এখন পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্যে ক্লিক ব্র্যান্ডের এলইডি বাল্ব ৩ ওয়াট ২৫০, ৫ ওয়াট ৩৮০, ৭ ওয়াট ৪৬০, ৯ ওয়াট ৫৩০ টাকা এবং ১২ ওয়াট ৬৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ট্রান্সটেক ১২ ওয়াট ৬৫০, ৯ ওয়াট ৫২০, ৮ ওয়াটের দাম ৪৬০ টাকা।

দোকানঘর বা শপিং মলে দরকার হয় আলো ঝলমলে পরিবেশ। তাই সেখানে প্রয়োজন হয় বড় বাল্বের। কখনো কখনো বা আকারভেদে আলাদা রঙের লাইট ব্যবহার করা হয়। বাজারে ১০৫ ওয়াটের স্বচ্ছ আলোর বাল্ব কিনতে খরচ করতে হবে এক হাজার ২৫০ টাকা। আর ৮০ ওয়াটের প্রতিটির দাম পড়বে ৯৫০ টাকা। এগুলো অবশ্য হালকা নীল রঙেও পাওয়া যায়। তবে দাম একই।

টিউবলাইটের দাম তুলনামূলক অনেক কম। বাজারে ট্রান্সটেক, ফিলিপস, সুপারস্টারসহ নানা ব্র্যান্ডের টিউবলাইট বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে। ব্যতিক্রমী ডিজাইন ও বর্ণিল আলোর কিছু বাল্ব পাওয়া যায় বাজারে। এগুলোকে সারফের ও কনসোল বাল্ব বলে। চীনের তৈরি এসব বাল্ব ২৪ ওয়াট ৫৫০, ১৮ ওয়াট ৩৫০, ১২ ওয়াট ২৫০, ৯ ওয়াট ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কেবল (তার): সাধারণত বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয় পাওয়ার কেবল ২.৫ আরএম। বাজারে বিআরবি ব্র্যান্ডের এমন কেবল কয়েল অনুযায়ী বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ৯০০ থেকে তিন হাজার টাকায়। সাধারণ ইলেকট্রিক সংযোগের জন্য ব্যবহার করা হয় ১.৫ আরএম কেবল। ব্র্যান্ডভেদে এই তারের দাম কয়েলপ্রতি এক হাজার ৭০০ থেকে এক হাজার ৯০০ টাকার মধ্যে।

ফ্রিজ, এসি, টিভি, গিজার, ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, কুকারসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সরঞ্জামে ব্যবহারের জন্য একটু বেশি শক্তপোক্ত কেবল প্রয়োজন পড়ে। তাই এমন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় ৪ আরএম কোয়ালিটির কেবল। দাম চার হাজার ৪০০ থেকে চার হাজার ৬০০ টাকা প্রতি কয়েল।

হোল্ডার: ইলেকট্রিক যেসব পণ্য ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে সবচেয়ে কম দাম বলা যায় হোল্ডারের। একেবারে ভালো মানের হোল্ডার নিতে গেলেও গ্রাহককে খুব বেশি খরচ করতে হয় না। বাজারে থাকা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের হোল্ডার বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে।

সুইচ: সুইচ কেনার ক্ষেত্রে নিরাপত্তার পাশাপাশি আকার ও নকশা ঘরের সঙ্গে মানানসই কি না তাও দেখা হয়। এ ক্ষেত্রে ঘরের আয়তন, রং এবং কাজের ধরনের ওপর আকার ও নকশা নির্ভর করে। বাজারে নামিদামি ইলেকট্রিক ব্র্যান্ড ছাড়া অনেক বেনামি ব্র্যান্ড একেবারে সাধারণ মানের সুইচ তৈরি করে থাকে। যেগুলো ২০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

তবে ভালো মানের এবং ব্র্যান্ডের সুইচ কিনতে গেলে খরচ একটু বেশি হবে বলে জানালেন গুলশান ডিসিসি মার্কেটের পাশের গুলশান শপিং সেন্টারের দোকানি মাহাবুব আলম। তিনি জানান, একটি বোর্ডে যে কয়টি সুইচ লাগে তাকে গ্যাং বলে। আর সুইচ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিক্রি করা হয় এই ‘গ্যাং’ হিসেবে। সুপারস্টারের পাঁচ সুইচের গ্যাং বিক্রি করছেন ৪৫০ টাকায়। এ ছাড়া তিন সুইচ ৩৮০ এবং এক সুইচ ১০০ থেকে দেড় শ টাকায় পাওয়া যাবে। ব্র্যান্ডের ওপর নির্ভর করে সুইচের দাম, ১০ থেকে ২০ টাকার হেরফের হয় বলে জানান তিনি।

সার্কিট ব্রেকার: ইলেকট্রিশিয়ান ইকবাল হোসেন জানান, একধরনের স্বয়ংক্রিয় ইলেকট্রিক ডিভাইস হচ্ছে সার্কিট ব্রেকার। বাসাবাড়িতে ভালো মানের সার্কিট ব্রেকার লাগানো খুব জরুরি। কারণ প্রয়োজনের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহিত হওয়ার সময় ওই লাইনের সঙ্গে সংযুক্ত ডিভাইসগুলোকে নিরাপদ রাখবে এই সার্কিট ব্রেকারই।

বাজারে সাধারণ মানের সার্কিট ব্রেকারের দাম ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা। ডাবল ব্রেকারের সার্কিটে খরচ হবে ৫০০ থেকে এক হাজার ৩০০ টাকার মতো। আর ট্রিপল ব্রেকারে খরচ হবে ৮০০ থেকে তিন হাজার টাকা। এসব ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে ট্রান্সটেক, ফিলিপস, তোশিবা, ওসাকা অন্যতম। তবে কারখানায় ব্যবহার করা সার্কিট ব্রেকারের দাম অনেক বেশি হয়।

সকেট: গুলশান শপিং সেন্টারের বুলু ইলেকট্রিক সেন্টারের দোকানি ইকবাল হোসেন বলেন, ভালো সকেট না হলে অনেক সময় বিদ্যুতের লোড সহ্য করতে পারে না। বাজারে কিছু সকেট আছে, যেগুলোতে অনেক সময় আগুন ধরে যায় বা গলে যায়। তাই মানে ভালো না হলে সকেট ব্যবহার করলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।

মূলত ব্যবহারের ভিন্নতার কথা মাথায় রেখে সকেট কিনতে হয়। ব্র্যান্ডের ছোট সকেট কিনতে গেলে দাম পড়বে ১০০ থেকে ৫০০ টাকার মতো। তবে বড় কিছু সকেট আছে, যেগুলো ৫০০ থেকে হাজারের ওপর যেতে হবে। সাধারণ মানের সকেট পাওয়া যায় ৫০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে। তথ্যসূত্র: কালের কন্ঠ।

More News Of This Category