1. [email protected] : editorpost :
  2. [email protected] : jassemadmin :

ব্যবসায়ী হতে চাইলে নেটওয়ার্ক তৈরী করতে হবে!

নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচয় দিতে কার না ভালো লাগে! বর্তমান সময়ের সবচেয়ে চাহিদার কিংবা আকর্ষণের একটি কাজ হচ্ছে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। ব্যবসা কিংবা চাকরি যেকোনো জায়গাতেই মানুষ চায় নিজেকে কিছুটা আলাদাভাবে উপস্থাপন করতে।

আর এই যান্ত্রিক জীবনে যখন আপনি কারো অনুমতি ছাড়া কোনো কাজই করতে পারেন না ঠিক সেই সময়ে উদ্যোক্তা হিসেবে করা আপনার কাজ আপনাকে মানসিকভাবে শান্তি যেমন দেয় তেমনি দেয় একটি নিজস্ব পরিচয়। তাই তো বর্তমান সময়ের তরুণ তরুণীদের আকর্ষণের একটি জায়গা হচ্ছে নিজেকে উদ্যোক্তার আসনে দেখা।

এছাড়া একজন উদ্যোক্তা হিসেবে আপনি যেমন নিজের প্রতি ছুড়ে দিচ্ছেন একের পর এক চ্যালেঞ্জ তেমনই আপনার কাছে চাকরি পাচ্ছে আরো হাজারো তরুণ। এতে আপনি যেমন খুলে দিচ্ছেন নতুন এক সম্ভাবনার দ্বার তেমনই আপনার জন্য অপেক্ষা করছে সফলতা।

বর্তমান সময়ের একটিই চাহিদা, আর তা হচ্ছে আপনি কতটুকু স্মার্ট। আর এই স্মার্টনেস সম্পূর্ণটাই আসে আপনার কাজ থেকে। আপনার কাজের ধরন আপনার জানার গণ্ডি আপনাকে করে তোলে সবার চেয়ে আলাদা। যাতে আপনি সৃষ্টি করতে পারেন পুরো বিশ্ব মাঝে আপনার নতুন একটি পরিচয়।

লক্ষ্য স্থির করা: জীবনের সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে লক্ষ্য স্থির করা। আপনি যখন কোনো কাজ মন প্রাণ দিয়ে করতে চাইবেন দেখবেন নানা ভাবে নানা সমস্যা মাথাচারা দিয়ে উঠছে। আপনার হয়ে যাওয়া কাজটাও শেষ মূহূর্তে আর করা হয়ে উঠছে না। এই পর্যায়ে বেশিরভাগ নতুন উদ্যোক্তাদের মনে এটাই আসে যে আমাকে দিয়ে আর হবে না। আমি এই কাজটি শেষ করতে পারবোনা। এটি আপনার মনোবল ভেঙ্গে দেয়। যাতে করে আপনি আর আপনার লক্ষ্য পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেন না। তাই সবার আগে লক্ষ্য স্থির করুন।

নেটোয়ার্ক তৈরি: একজন নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে আপনি অনেক কিছুই জানেন না। সেই দিক থেকে নতুন কিছু করতে গেলে আপনাকে নানা সমস্যার মুখে পড়তে হবে। তাই যত পারুন আপনার আশেপাশের মানুষের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করুন। এটি আপনাকে নানা তথ্য দিয়ে সাহায্য করবে। সেই সাথে আপনার জন্য এই যোগাযোগ আপনার জন্য কাজ করবে নেটয়ার্ক হিসেবে।

ক্ষতি: সব সময় মনস্থির রাখুন যে আপনার কাজে লাভ আসার আগে ক্ষতির মুখ দেখার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি। তাই যেকোনো কাজ করার আগে ভাবুন কতটা কম ক্ষতিতে আপনি কাজটি করতে পারবেন। একটি সময় পরে কাজের এই দক্ষতাই আপনাকে লাভের মুখ দেখাবে।

এ্যাডভারটাইজিং: আপনি আপনার কাজকে যত সুন্দর করে মানুষের মাঝে তুলে ধরবেন তার কদর ততো বাড়বে। আর সেই ক্ষেত্রে মোবাইল এ্যাডভারটাইজিং হতে পারে আপনার প্রথম স্টেপ। সেজন্য আপনার আশেপাশের বন্ধু কিংবা আত্নীয়দের নির্বাচন করুন। এরপর তাদের আপনার কাজ মেইল কিংবা নানাভাবে প্রদর্শন করুন। যখন দেখবেন সাড়া পাচ্ছেন, তখন বড় ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারেন।

মজার সাথে উপস্থাপন: কাজকে কখনো খুব কঠিন করে নিজের কাছে কিংবা কারো কাছে উপস্থাপন করবেন না। এতে আপনার কাজ সে যেমন বুঝবে না তেমনই আপনিও নানা প্রশ্নের মাধ্যমে সমস্যাতে পড়বেন। তাই কাজকে প্রাণবন্ত ভাবে উপস্থাপন করুন।

উদ্ভাবন থেকে বিরত না থাকা: মনে রাখুন আপনি একজন উদ্যোক্তা। আপনার কাজই হচ্ছে নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কার করা। নতুনকে সবার মাঝে তুলে ধরা। পিছনে হাজার মানুষ হাজারটা কথা বলবেই। তাকে নিয়ে বসে থাকলে আপনি কখনো সফল উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারবেন না। তাই সব সময় নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন।

More News Of This Category