1. [email protected] : editorpost :
  2. [email protected] : jassemadmin :

দুই লাখ ৬৬ হাজার ১১৮ জন ঋণ খেলাপি

বর্তমানে দেশে ঋণ খেলাপির সংখ্যা (ডিসেম্বর ২০১৮) দুই লাখ ৬৬ হাজার ১১৮ জন। বললেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। জাতীয় সংসদে প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়। এসময় সরকারি দলের সদস্য ওয়ারেসাত হোসেন বেলালের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী দেশের শীর্ষস্থানীয় ২০ ঋণ খেলাপির নাম-ঠিকানা প্রকাশ করেন।

মন্ত্রী দেয়া তথ্য অনুসারে দেশের শীর্ষস্থানীয় ২০ ঋণ খেলাপির মধ্যে রয়েছে- কোয়ান্টাম পাওয়ার সিস্টেম লি., সামানাজ সুপার অয়েল লি., বি আর শিপিং মিলস, সুপ্রভ ফুটওয়ার, রাইজিং স্টিল, কম্পিউটার সোর্স লি., বিনিটেপ ইন্ডাস্ট্রিজ, ম্যাপ শিপিং মিলস, এসএ অয়েল রিফাইনারি লিমিটেড, রুবিয়া ভেজিটেবল অয়েল, আনোয়ারা শিপিং মিল, ক্রিসেন্ট লেদার মিলস, সুপ্রভ রোটর শিপিং, ইয়াসির এন্টারপ্রাইজ, চৌধুরী নিটওয়ারস, সিদ্দিক ট্রেডার্স, রুপালী কম্পোজিট লেদার ওয়্যার, অ্যালপা কম্পোজিট টাওয়েলস এবং এমএম ভেজিটেবল অয়েল প্রডাক্টস লিমিটেড। তবে কে কত টাকা ঋণ খেলাপি তা প্রকাশ করেননি অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল।

মন্ত্রী আরও জানান, হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ থাকায় এ তালিকায় অন্তর্ভুক্তির যোগ্য কিছু ঋণ খেলাপি প্রতিষ্ঠানের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
সরকারি দলের সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের প্রশ্নের লিখিত জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৪৪ হাজার ১৮৯ কোটি ১৩ লাখ টাকা। ৬টি ব্যাংকের মধ্যে সোনালী ব্যাংকে খেলাপি ঋণ সবচেয়ে বেশি। এ ব্যাংকটিতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১২ হাজার ৫২৬ কোটি টাকা।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ থাকা ব্যাংক হলো জনতা ব্যাংক লিমিটেড। এ ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১২ হাজার ২২ কোটি টাকা। বেসিক ব্যাংক লিমিটেডে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আট হাজার ৪৪১ কোটি, অগ্রণী ব্যাংকে পাঁচ হাজার ৬৮৪ কোটি, রূপালী ব্যাংকে চার হাজার ৮৭০ কোটি এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডে ৭৭৯ কোটি টাকা।

সরকারি দলের সদস্য ইসলাফিল আলমের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আরো জানান, ফার্মার্স ব্যাংকের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক লি.) প্রতি আমানতকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে বেইল আউট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকারি মালিকানাধীন সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক এবং ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ৭১৫ কোটি টাকার মূলধন সরবরাহ করেছে।

সরকারি দলের সাংসদ দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল জানান, দেশের ২৭ গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫৭টি তফসিলি ব্যাংকের মোট আমানতের পরিমাণ ১১ লাখ ১৫ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা। একই সময়ে বিনিয়োগের পরিমাণ ৯ কোটি ২২ লাখ ৮৮৪ কোটি ৫ লাখ টাকা।

সংসদে সরকারি দলের সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে মোট ৪১টি বেসরকারি বাণিজ্যিক তফসিলি ব্যাংক এবং ৯টি বিদেশি ব্যাংক রয়েছে। ব্যাংকগুলো হলো- বেঙ্গল ব্যাংক লিমিটেড, পিপলস ব্যাংক লিমিটেড ও সিটিজেন ব্যাংক লিমিটেড। তবে বর্তমানে নতুন আর কোনও ব্যাংক স্থাপনের আবেদন ব্যাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বিবেচনাধীন নেই। তথ্যসূত্র: আরটিভি অনলাইন।

More News Of This Category