1. [email protected] : editorpost :
  2. [email protected] : jassemadmin :

দ্বিগুণ টাকা লাভের লিকুইড ডিস ওয়াশ তৈরী ব্যবসার আইডিয়া!

নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে আপনাকে উদ্যোগী হতে হবে। আর উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য ঠিক করতে হবে কী দিয়ে শুরু করবেন। এজন্য দরকার অল্প পুঁজিতে শুরু করা যায় এমন ব্যবসা। লিকুইড ডিশওয়াশ বা তরল সাবান তৈরির ব্যবসা একটি ভালো উদ্যোগ হতে পারে। অল্প পরিমাণ তরল সাবানে অনেক ফেনা হয়। সহজেই পরিষ্কার হয় থালা-বাসন। ফলে দিন দিন এর চাহিদা বাড়ছে। তরল সাবান তৈরির জন্য স্থায়ী উপকরণ কিনতে তিন-চার হাজার টাকার প্রয়োজন হতে পারে।

প্রয়োজনীয় উপকরণ, পরিমাণ, মূল্য ও প্রাপ্তিস্থান স্থায়ী উপকরণ: চুলা একটি ১০০-১২০ টাকা। হার্ডওয়্যারের দোকানে পাওয়া যাবে। প্লাস্টিকের বালতি একটি ৬০-৭০ টাকা। তৈজসপত্রের দোকানে পাওয়া যাবে। মিকচার মেশিন একটি ১০০০-১২০০ টাকা। তৈজসপত্রের দোকানে পাওয়া যাবে। স্টিলের পাত্র একটি ৩০০-৩২০ টাকা। তৈজসপত্রের দোকানে পাওয়া যাবে।

মাপার যন্ত্র একটি ৩০০-৩৫০ টাকা। ইলেকট্রনিকস দোকানে পাওয়া যাবে। মাপার পাত্র একটি ৩০০-৩২০ টাকা। তৈজসপত্রের দোকানে পাওয়া যাবে। ইলেকট্রিক হিটিং পাঞ্চ একটি ১০০০-১২০০ টাকা। ইলেকট্রনিকস দোকানে পাওয়া যাবে। উপকরণ কেনার জন্য মোট তিন হাজার ৬০ টাকা থেকে তিন হাজার ৫৮০ টাকা প্রয়োজন হতে পারে।

১০০ লিটার লিকুইড ডিশওয়াশ তৈরির কাঁচামাল: জেনথাল গাম দুই কেজি এক হাজার ২০০ টাকা। পাওয়া যাবে কেমিক্যালসের দোকানে।সোডিয়াম ট্রাই পলি ফসফেট চার কেজি এক হাজার ২০০ টাকা। এটিও পাওয়া যাবে কেমিক্যালসের দোকানে। পানি ৯০ লিটার। পারফিউম ১/২ আউন্স ২০ টাকা। পাওয়া যাবে পারফিউম দোকানে। সোডিয়াম মেটাসিলিকেট চার কেজি ৪৪০ টাকা। ল্যাবসা চার কেজি ৮০০ টাকা। রং ছয় আউন্স ৫০ টাকা। সোডিয়াম মেটাসিলিকেট, ল্যাবসা ও রং পাওয়া যাবে কেমিক্যালসের দোকানে। মোট তিন হাজার ৭১০ টাকা খরচ হতে পারে।

তৈরির প্রণালি: প্রথমে একটি পাত্রে ৯০ লিটার আয়রনমুক্ত পরিষ্কার পানি নিতে হবে। পানি গরম করতে হবে। একটু গরম হলে এতে দুই কেজি জেনথাল গাম ধীরে ধীরে ঢালতে হবে। জেনথান গাম মিকচার মেশিন দিয়ে গোলাতে হবে। গোলানো হয়ে গেলে মিশ্রণটি ২৪ ঘণ্টা বা একদিন রেখে দিতে হবে। ২৪ ঘণ্টা বা একদিন পর এ মিশ্রণের সঙ্গে চার কেজি সোডিয়াম ট্রাই পলি ফসফেট ঢালতে হবে ও মিকচার মেশিন দিয়ে ভালোভাবে মেশাতে হবে।

এরপর এ মিশ্রণের সঙ্গে চার কেজি সোডিয়াম মেটাসিলিকেট ভালোভাবে মেশান। মিশ্রণের সঙ্গে চার কেজি ল্যাবসা মিকচার মেশিনের সাহায্যে মেশাতে হবে। পরে এতে এক কেজি ফরমালিন ঢেলে তা মিকচার মেশিনের সাহায্যে গুলিয়ে নিতে হবে। সব উপকরণ ভালোভাবে মেশানো হয়ে গেলে তিন থেকে ছয় আউন্স রং মেশান। সুন্দর গন্ধের জন্য এতে ১/২ আউন্স পারফিউম মেশাতে হবে।

সাবধানতা: সব উপকরণ সঠিক পরিমাণে মেশাতে হবে। পারফিউম মেশানোর পর বেশিক্ষণ খোলা রাখা যাবে না। তাহলে সুগন্ধী হালকা হয়ে যেতে পারে। প্রতি ১০০ লিটার লিকুইডে লাভ হবে প্রায় ছয় হাজার টাকার মতো। তথ্যসূত্র: শেয়ার বিজ।

More News Of This Category