1. [email protected] : editorpost :
  2. [email protected] : jassemadmin :

ধনী ব্যাক্তিদের সম্পদ তৈরীর কৌশল!

আমরা যখনই কোন ধনী ব্যক্তি কে দেখি আমরা খেয়াল করি তারা অনেক দামী দামী জিনিস ব্যবহার করছে। যেমন দামি মোবাইল, দামি ঘড়ি, দামি গাড়ি, আলিশান বাড়ি। তাদের জীবনযাপন দেখে আমাদেরও ইচ্ছে করে তাদের মতো জীবনযাপন করতে আমাদের ইচ্ছে করে তাদের মত দামী জিনিস ব্যবহার করতে। কিন্তু একটি সিক্রেট যা নরমাল মানুষ জানে না।

ধনী মানুষ এই সমস্ত লাক্সারী জিনিস ঠিকই কিনেন কিন্তু তার আগে তারা লাক্সারী জিনিসগুলো কেনার আগে কিছু বিশেষ জিনিস কিনে থাকেন সেটা হচ্ছে অ্যাসেট। অ্যাসেট এমন একটা জিনিস যা তাদেরকে প্রতিমাসে টাকা ইনকাম করে দেয়। অ্যাসেট তাদেরকে টাকা ইনকাম করতে সাহায্য করে তারা ফিজিক্যালি কোন কাজ না করলেও বা সামান্য কাজ করে।

এটি চাকরি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা, চাকরিতে আমাদের ইনকাম ডিপেন্ড করে আমরা কত ঘন্টা কাজ করছি বা কি চাকরি করছি। ধনী মানুষ একবার যদি অনেক অ্যাসেট তৈরি করে ফেলতে পারে তাহলে তাদের ওই অ্যাসেট থেকে যে আয় হয় তা থেকে তারা তাদের জন্য এন্টারটেইনিং, লাগজারি আইটেম কিনে ফেলতে পারেন। যেমন দামি গাড়ি,ফ্যাশনেবল কাপড় চোপড়, দামি ঘড়ি ইত্যাদি।

এটাই সবথেকে বড় পার্থক্য একজন ধ্বনি চিন্তাভাবনা করা ব্যক্তি এবং একজন গরীব চিন্তাভাবনা করা ব্যক্তির মধ্যে। এখন আমাদের মধ্যে অনেকের কাছে মনে হতে পারে এটা তো খুব সামান্য একটা সিক্রেট।এত ছোট সিক্রেট হতে পারে না একজন ধনী এবং একজন গরীব মানুষের মধ্যে। কিন্তু এটাই একমাত্র সিক্রেট ধনী ব্যক্তিদের।

এটা শুনতে অনেক সহজ কিন্তু এটা করতে ইমোশনাল ডিসিপ্লিন এবং নলেজ দুইটারই দরকার হয়। ইমোশনাল ডিসিপ্লিন নিজেকে আনতে হবে, আমি এই আর্টিকেলে কিছু নলেজ শেয়ার করব কিভাবে অ্যাসেট তৈরি করা যায়। আমি কিছু উদাহরন শেয়ার করব যেখানে মানুষগুলি নিজেদের লাইবিলিটি গুলোকে কিভাবে অ্যাসেট এ রূপান্তরিত করেছিল।

উদাহরণ ১: প্রথমে শুরু করবো নিজের একটা পার্সোনাল এক্সপেরিয়েন্স দিয়ে। আমার এক বন্ধু যে একটি প্রাইভেট ব্যাংকে চাকরি করেন, তার ফিন্যান্সিয়াল নলেজে অনেক ইন্টারেস্ট। সে লোন নিয়ে একটি গাড়ি কিনেছে। যার ডাউন পেমেন্ট সম্ভবত সে ২ লাখ টাকা দিয়েছিল। তার কিছু বন্ধু ছিল যারা হোটেল, ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস ব্যবসা করত। বন্ধুটি ম্যাক্সিমাম সময় তার গাড়ি সে নিজেই ব্যবহার করত।

কিন্তু যখনই তার ওই ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস ব্যবসা করা বন্ধুর কাছে কোন কাস্টমার থাকতো যাদের কিছুদিনের জন্য গাড়ির প্রয়োজন হতো তখন সে তার গাড়ি দুই- একদিনের জন্য ভাড়ায় দিত। সে অলমোস্ট প্রতিমাসেই এই প্রসেস এপ্লাই করত। আর এগুলো করতে করতে সে তার পাঁচ বছরের কার লোন চার বছরে শেষ করে ফেলল। এবং সেটাও নিজের চাকরির কোন টাকা না দিয়েই।

সে বিষয়টা নিয়ে যথেষ্ট খুশি ছিল। কারণ সে তার গাড়িটি অলমোস্ট ফ্রিতে পেয়ে গিয়েছিল। এবং বিষয়টা সত্যি ও। এটা একটা উদাহরণ অ্যাসেট বিল্ডিং প্রসেসর। এটা করে সে মিলেনিয়ার অথবা বিলোনিয়া তো হতে পারে নাই কারন সে প্রসেসটা কন্টিনিউ করে নাই। কিন্তু তার পরেও সে অনেক মানুষের থেকেও যথেষ্ট বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে সে অন্তত এই আইডিয়াটা এক্সিকিউট করেছিল।

উদাহরণ ২: আমরা আরো একটি উদাহরণ দেখতে পারি রবার্ট কিয়োসাকির বেস্ট সেলিং বুকস রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড থেকে। রবাট ছোটবেলায় তার বন্ধু মাইক এর সাথে রিচ ড্যাডের স্টরে ফ্রিতে কাজ করতো যেন সে শিখতে পারে কিভাবে অ্যাসেট তৈরি করা যায়। একদিন সে খেয়াল করে রিচ ড্যাডের স্টরে প্রতি সপ্তাহে একটি কমিক বই এর ডিস্ট্রিবিউটর আসে এবং সে একটি কমিক বই ফ্রিতে রেখে যায় কমিক বইয়ের প্রমোশনের জন্য।

রবার্ট এবং তার বন্ধু মাইক ডিস্ট্রিবিউটর কে জিজ্ঞেস করল আচ্ছা আমরা কি এই কমিক বই গুলো ব্যবহার করতে পারি। ডিস্ট্রিবিউটর বলল তোমরা ব্যবহার করতে পারো কিন্তু তোমরা এগুলো বিক্রি করতে পারবে না। যদি তোমরা এগুলো বিক্রি করো তাহলে এটা ইলিগ্যাল হবে। এতে রবার্ট এবং তার বন্ধু মাইকের অ্যাসেট বানানোর একটি আইডিয়া তৈরি হলো।

তারা কয়েক সপ্তাহ ধরে কিছু কমিক বই একত্র করল। সেগুলো দিয়ে তারা মাইকের বাসার একটি রুমে একটি কমিক বইয়ের লাইব্রেরী তৈরি করল যেখানে যেকোনো বাচ্চা এসে ১০ সেন্ট দিয়ে ২ ঘন্টা পর্যন্ত যত খুশি কমিক বই পড়তে পারবে। এ লাইব্রেরী ম্যানেজ করার জন্য রবাট এবং মাইক মাইকের বোনকে লাইব্রেরিয়ান হিসেবে নিয়োগ দিল যার কাজ ছিল, সে বাচ্চাদের কাছ থেকে ১০ সেন্ট করে কালেক্ট করবে এবং লাইব্রেরীর বই গুলা ম্যানেজ করবে। এবং এটা খেয়াল রাখবে লাইব্রেরী থেকে কেউ যেন কমিক বই চুরি করে না নিয়ে যায়। এটি একটি উইন-উইন-উইন সিচুয়েশন।

ফাস্ট উইন সিচুয়েশন: সর্বপ্রথম উইন সিচুয়েশন হচ্ছে ওই লাইব্রেরীতে আশা বাচ্চাদের যারা দুই ঘন্টা পর্যন্ত যত চায় তত কমিক বই পড়তে পারতো। যদি তারা মার্কেট থেকে কমিক বই ক্রয় করতো তাহলে প্রতি কমিক বইয়ের জন্য তাদের ২০ থেকে ৩০ সেন্ট খরচ করতে হতো। কিন্তু লাইব্রেরীতে তারা ২ ঘন্টায় তিন থেকে চারটি কমিক বই শুধুমাত্র ১০ সেন্ট দিয়ে পড়তে পারতো।

দ্বিতীয় উইন সিচুয়েশন: দ্বিতীয় উইন সিচুয়েশন ছিলো মাইকের বোনের জন্য যার লাইব্রেরিয়ানের জব হয়েছিল। এমনিতেই তাঁর কমিক বই পড়তে খুব ভালো লাগতো। লাইব্রেরীতে সে কমিক বই পড়তো। এবং তাকে প্রতি সাপ্তাহে ১ ডলার দেয়া হতো সেলারি হিসেবে।

তৃতীয় উইন সিচুয়েশন: ফাইনাল উইন সিচুয়েশন ছিলো রবার্ট এবং তার বন্ধু মাইকের জন্য যারা ইতিমধ্যেই একটি অ্যাসেট তৈরি করে ফেলেছে কেননা এটার জন্য তাদের তেমন কোন কাজ করার প্রয়োজন ছিলনা ।তারা শুধু প্রতি সপ্তাহে নতুন কমিক বই লাইব্রেরীতে জমা করতো। বাকি সব কাজ মাইকের বোন ম্যানেজ করতো। এতে করে রবার্ট এবং মাইক প্রতি সাপ্তাহে ৯.৫ ডলার করে ইনকাম করত।

যদি আমরা এই উদাহরণটি এখনকার কোন দোকানদারের সাথে কম্পেয়ার করি তাহলে আমরা দেখব তারা মূলত ব্যবসা করছে না তারা নিজেদেরকে একটি চাকরি দিয়েছে মাত্র। এটা বলার কারণ একজন দোকানদার কখনোই তার দোকান ছেড়ে যেতে পারবেনা যদি যায় তাহলে তার ইনকাম আসা বন্ধ হয়ে যাবে।

এজন্যই আমাদের যাদের এরকম ব্যবসা আছে আমাদের চেষ্টা করা উচিত এমন একটা আইডিয়া জেনারেট করার যাতে আমরা ঐ ব্যবসাটা আমাদের জন্য অ্যাসেট হিসেবে তৈরি করতে পারি। যাতে করে আমরা এরকম আরো অনেক ব্যবসা দাঁড় করাতে পারি। এবং ঐ সমস্ত ব্যবসাকে অ্যাসেট এ রূপান্তরিত করতে পারি। অবশ্যই এটা করার জন্য আমাদের অনেক সময় লাগবে, ভালো কিছু করতে গেলে সময় তো ইনভেস্ট করতেই হবে।

সম্পদ তৈরী করার কৌশল: নিজের বই রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড এ রবার্ট কিয়োসাকি তার আরেকজন বন্ধুর একটি মজাদার উদাহরণ দিয়েছেন। রবাটের বন্ধু একদিন তাকে বলল তার চার বাচ্চার পড়াশোনার জন্য টাকা ম্যানেজ করতে তার অনেক কষ্ট হয়। নিজের বাচ্চাদের পড়াশোনার জন্য রবাটের বন্ধু প্রতিমাসে ৩০০ ডলার জমা করছিল। এখন পর্যন্ত সে ১২ হাজার ডলার জমা করতে পেরেছে।

রবাটের বন্ধুর সবথেকে বড় ছেলে ক্লাস সিক্সে পড়ে। তার কাছে মাত্র ১২ বছর ছিল টাকা জমা করার জন্য। ওই সময় ফিনিক্স এ প্রপার্টির মার্কেট সিচুয়েশন খুব খারাপ ছিল মানুষজন তাদের ঘর বিক্রি করে চলে যাচ্ছিল। রবার্ট তার বন্ধুকে সাজেশন দিল যে টাকা সে তার বাচ্চাদের জন্য জমা করেছিল ওই টাকা দিয়ে সে যেন একটি ঘর কিনে নেয়।

এতে তার অনেক লাভ হবে এটা শুনে রবাটের বন্ধু প্রথমে অনেক ঘাবড়ে গিয়েছিল। সে বলল প্রপার্টি সম্পর্কে তার কোনো জ্ঞান নেই সাথে তার জমানো টাকার পরিমাণ অনেক কম যার কারণে কোন ব্যাংক তাকে লোন ও দিবে না। রবার্ট তার বন্ধুকে বুঝালো প্রপার্টি ফিনান্স করার অনেক উপায় আছে।

এবং রবার্ট তাকে প্রপার্টি কিনতে সাহায্য করবে কারন সে এই বিষয়ে যথেষ্ট এক্সপার্ট। ফাইনালি অনেক বোঝানোর পর তার বন্ধু রাজি হলো। দুই সপ্তাহ ধরে রবার্ট এবং তার বন্ধু প্রপার্টি দেখতে লাগলো। ফাইনালি একটি ভালো লোকেশনে তাদের ৩ বেডরুম ২ বাথরুমের একটি বাড়ি মিলল। ওই ঘরের মালিকের ক্যালিফোর্নিয়াতে চাকরি হয়েছিল এজন্য সে তার এই প্রোপার্টি মার্কেট রেট থেকে কম দামে বিক্রি করে দিতে চাচ্ছে।

তার এই প্রপার্টির জন্য সে ১ লাখ ২ হাজার ডলার দাবি করলো, অনেক নেগোসিয়েশন করার পর সে তার প্রোপার্টি ৭৯ হাজার ডলারে বিক্রি করার জন্য রাজি হল। রবার্ট তার বন্ধুকে ব্যাংক থেকে ৭৯ হাজার ডলারের লোন পেয়ে দিল। যাতে তার শুধু ১০% মানে সাত হাজার ৯০০ ডলার ডাউন পেমেন্ট দিতে হয়েছিল। এই ৭৯০০ ডলার সে তার বাচ্চাদের পড়াশোনার জন্য সেভ করা টাকা থেকে দিয়েছিল। কেনার সাথে সাথে রবার্টের বন্ধু তার এই প্রোপার্টি ভাড়ায় দিয়ে দিল।

ঘর ভাড়া থেকে যে টাকা আসতো লোনের টাকা দিয়ে দেয়ার পরেও ১২৫ ডলার থেকে যেত। যার জন্য রবাটের বন্ধুকে নিজের পকেট থেকে লোনের জন্য কোন টাকা দিতে হতো না। উল্টো সে প্রতিমাসে ১২৫ ডলার ইনকাম করত। রবাটের বন্ধুর প্লান ছিল সে ১২ বছর এই প্রোপার্টি ধরে রাখবে। এবং পরে ভালো দাম দেখে বিক্রি করে দিবে। যেন সে তার ৪ বাচ্চার পড়াশোনার খরচ দিতে পারে। কিন্তু তিন বছর পর তাদের ঐ শহরে যখন প্রপার্টির দাম আবার বাড়তে শুরু করল।

ওই ঘরের জন্য রবার্টের বন্ধুকে এক লক্ষ ৫৬ হাজার ডলারের অফার আসলো। সে রবার্ট কে জিজ্ঞেস করল এখন তার কি করা উচিত। রবাট তাকে উপদেশ দিল সে যেন এ প্রাইস এ ঘরটি বিক্রি করে দেয়।। লোনের সম্পূর্ণ টাকা দিয়ে দেয়ার পরেও রবাটের বন্ধুর কাছে আনুমানিক ৪০ হাজার ডলার ছিল।

কয়েক বছর পর সে রবাটের সহযোগিতা নিয়ে সে ঐ টাকা ইনভেস্ট করে একটি মিনি স্টোর ফ্যাক্টরি কিনেছিল এবং সেটিও ভাড়ায় দিয়ে দিল। যার থেকে প্রতিমাসে সে ১০০০ ডলার ভাড়া পেত। কয়েক বছর পর সেই ঘরটি ৩,৩০,০০০০ হাজার ডলারে বিক্রি করে দিল। সবকিছু শুরু হয়েছিল মাত্র ৭ হাজার ৯০০ ডলার ইনভেস্ট করে।

এখন রবাটের বন্ধুর তার বাচ্চাদের পড়াশোনার খরচের জন্য কোন চিন্তা করা প্রয়োজন ছিল না। যদি সে, যেভাবে ৩০০ ডলার করে জমা করছিল সেভাবে জমা করতে থাকতো তাহলে সে কখনোই এত টাকা জমা করতে পারত না। অবশ্যই এই ব্যাপারটি সবাই করতে পারবে না যদি তাদের প্রকৃত জ্ঞান থাকে। রবাটের বন্ধু এইসব করেছিল রবাটের সহযোগিতা নিয়ে যার আগে থেকেই এসব বিষয়ে জ্ঞান ছিল।

এখন প্রশ্ন হতে পারে যদি আমরা এমন টা করতে চাই তাহলে আমরা নলেজ কোথা থেকে নিব। সবথেকে ভালো খবর হচ্ছে আমাদের আগে যত মানুষ এসেছিল তারা অনেক উপায় বের করে রেখেছিল অ্যাসেট তৈরি করার। আমাদের কে শুধু তাদের কাছ থেকে শিখে ওই সেম বিষয়গুলি আবার ইমপ্লিমেন্ট করতে হবে।।

ধনী ব্যক্তিদের আরো একটি সিক্রেট হচ্ছে তারা প্রচুর বই পড়ে। তারা ঐ সমস্ত মানুষের বই পড়ে যাদের কাছ থেকে তারা সম্পদ তৈরি করা শিখতে পারে। বই মানুষের পরম বন্ধু একসময়ের বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ধনী বিল গেটস থেকে শুরু করে অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস, বিখ্যাত ইনভেস্টর ওয়ারেন বাফেট, টেসলা, স্পেস এক্স সহ অনেক বড় বড় কোম্পানির মালিক ইলন মাস্ক সহ সবাই অনেক বই পড়েন।

আর এই সম্পর্কে তারা অনেক ভালো ভালো কথা বলেছেন। সবাই যে কমন কথাটি বলেছেন সেটি হচ্ছে তারা সবাই বই পড়ে জীবন পরিচালনা থেকে শুরু করে সম্পদ তৈরি করার অনেক বিষয় শিখতে পেরেছেন। সুতরাং জ্ঞান অর্জনের জন্য ভালো ভালো রাইটারদের বই পড়ুন।

আমরা এই বই থেকে জানতে পেরেছি ধনী ব্যক্তিদের একটি গোপন বিষয় হচ্ছে তারা লাইবেলিটিসকে সম্পদে রূপান্তরিত করে। যদি আমরা এই স্কিল শিখতে চাই কিভাবে লাইভএলিটিস্ট কে সম্পদে রূপান্তরিত করা যায়, তাহলে আমাদেরকে ঐ সমস্ত লোকদের বই পড়তে হবে ঐ সমস্ত উদাহরণ দেখতে হবে যারা এই স্কিল সম্পর্কে ইতিমধ্যে ভালোভাবে জানে। তথ্যসূত্র: অনুসরণ ডটকম।

More News Of This Category