1. editor@islaminews.com : editorpost :
  2. jashimsarkar@gmail.com : jassemadmin :

পুরুষের চুল ঘন ও মজবুত করে যেসব খাবার

কাজুবাদাম, আখরোট ও নারকেল তেল ত্বক ও চুলের কোষের জন্য প্রাকৃতিক ইমোলিয়েন্ট হিসেবে কাজ করে। এছাড়া এসব খাবার চুলকে ময়েশ্চারাইজ ও চকচকে করে সুন্দর, ঘন ও মজবুত চুল সবারই কাম্য। অতিরিক্ত ক্ষয় ও নানা রকম কেমিক্যাল ব্যবহারের কারণে চুল দুর্বল হয়ে যায়। এছাড়া নানা রকম দূষণ, মানসিক চাপ, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, রোগসহ নানা কারণে বর্তমানে প্রায় সব বয়সী মানুষেরই চুল ঝরে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

চুল যদি শরীর থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাড় করতে না পারে, তাহলে মাথায় কেবল তেল-শ্যাম্পু দিয়ে চুল ঠিকঠাক রাখা যাবে না। খাবার গ্রহণের মাধ্যমে চুলের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করতে হবে। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রমাণ হয়েছে ঘন, মজবুত ও ঝকঝকে চুলের জন্য আপনাকে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে চুল ঘন ও মজবুত করতে আপনার খাদ্যতালিকায় যে খাবারগুলো রাখতে পারেন।

বাদাম: পর্যাপ্ত ক্যালরি ও স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার আপনার পেশি ও হার্টকে সুস্থ রাখে। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে কসমেটিক ডার্মাটোলজি জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড চুল পড়া কমাতে এবং চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

চুলের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন বি, ম্যাগনেশিয়াম, দস্তা ও ভিটামিন ই বাদামে উচ্চমাত্রায় থাকে। এক্ষেত্রে কাজুবাদাম, আখরোট ও নারকেল তেল ত্বক ও চুলের কোষের জন্য প্রাকৃতিক ইমোলিয়েন্ট হিসেবে কাজ করে। এছাড়া এ খাবারগুলো চুলকে ময়েশ্চারাইজ ও চকচকে করে।

চর্বিযুক্ত মাছ: বর্তমানে এটা সম্ভবত ক্যারিবীয় সমুদ্রের মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে যে প্রোটিন গুরুত্বপূর্ণ। হঠাৎ ওজন হ্রাস, প্রোটিন কম গ্রহণ, তাজা শাকসবজি ও ফলমূলে পাওয়া ফাইটোনিউট্রিয়েন্টগুলোর পরিমাণ কমে গেলে চুল অস্বাস্থ্যকর হয়ে ঝরে পড়ে। নারীদের জন্য দিনে কমপক্ষে ৫০ গ্রাম প্রোটিন খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। এক্ষেত্রে বড় উৎস হতে পারে সামুদ্রিক চর্বিযুক্ত মাছ।

শাক: সবুজ শাক ও পাতাজাতীয় শাকগুলো লৌহের বড় উৎস। পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে লৌহ থাকে, যা চুল ঘন করতে সহায়তা করে। শাক শরীরে আয়রন বাড়িয়ে তোলার পাশাপাশি ভিটামিন এ ও সি-র চাহিদা পূরণ করে। এছাড়া শাকে থাকা কারটিন ফাইবার চুলে ফাইবার তৈরিতে সহায়তা করে।

ডিম: ডিম প্রোটিন ও বায়োটিনের একটি বড় উৎস, যা স্বাস্থ্যকর চুল ও চুলের বৃদ্ধি উভয় কাজের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বায়োটিন চর্বি ও কার্বোহাইড্রেটের মতো পুষ্টির বিপাক করতে এনজাইমগুলোকে সহায়তা করে। এতে চুলের ফটিকগুলো পুষ্টি পায়। এছাড়া ডিমের কুসুমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি থাকে। এটি আমাদের শরীরে ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করতে পারে।

মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলু যেভাবেই খান না কেন, আলুতে থাকা ভিটামিন এ ও বি৬ চুলকে স্বাস্থ্যকর করে তোলে। মিষ্টি আলুর ভিটামিন এ চুল নতুন করে গজাতে এবং চুলের বৃদ্ধির হারকে ত্বরান্বিত করে।

বেল পিপার: বেল পিপার প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। গবেষণা বলছে, ভিটামিন সি কেবল স্বাস্থ্যকর চুলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়। এটি কোলাজেন ফাইবার সংশ্লেষণে সহায়তা করে এবং আপনার দেহের প্রকৃত পরিমাণে আয়রন গ্রহণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সূত্র: প্রিভেনশন

More News Of This Category