1. [email protected] : editorpost :
  2. [email protected] : jassemadmin :

প্রবল ইচ্ছাশক্তির কারনে লক্ষ্যভেদ করতে পারছি!

উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য নিজের ব্যক্তিগত ইচ্ছাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন বিশ্বাস ট্রেডলিংক করপোরেশনের (বিটিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমডি আলতাফ এইচ বিশ্বাস। উদ্যোক্তার স্বপ্ন অনেক বড় হতে হবে। আর স্বপ্ন বাস্তবায়নে বিপুল ইচ্ছাশক্তি থাকতে হবে। চিন্তা করতে শিখতে হবে, সেই সঙ্গে প্রস্তুতিও প্রয়োজন।

আলতাফ এইচ বিশ্বাস পড়াশোনা করেছেন পদার্থবিজ্ঞানে। পাস করে ব্রিটিশ ইন্সপেকশন ফার্মে চাকরিতে যোগ দেন। পরবর্তী সময় সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি নিজের প্রতিষ্ঠান গড়ায় মনোযোগ দেন। চাকরিরত অবস্থায় উদ্যোক্তা হওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে তিনি এমবিএ ডিগ্রি নিতে আগ্রহী হন। সেটা ছিল ১৯৮৯ সালের কথা। তিনি পরিকল্পনা করেন এমবিএ শেষ করে আর চাকরি করবেন না। নিজে একটা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবেন। এমবিএ ডিগ্রিসম্পন্ন করে ট্রেডিং ব্যবসায় যুক্ত হন। চাকরির পাশাপাশি অল্প অল্প করে কাজ করেন। ধানমণ্ডিতে একটা সাবলেট অফিস নেন। সারা দিন চাকরি করে সন্ধ্যায় এসে বসতেন সেই অফিসে। এরপর পুরোদমে ব্যবসা শুরু করেন ২০০৩ সাল থেকে।

শুরুতে মূলধন পাওয়ার সমস্যায় পড়তে হয়। সেই সমস্যার উত্তরণের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এটা জোগাড়ে প্রচুর পরিশ্রমও করতে হয়েছে। পুরো দুনিয়ার বড় বড় উদ্যোক্তার জীবনবৃত্তান্ত দেখলে পাওয়া যায়, ‘তাঁদের বেশির ভাগই শূন্য থেকে শুরু করেছেন। এরপর নিজে ভেবেচিন্তে সামনে এগিয়ে গিয়েছেন। আমাকেও একইভাবে এগোতে হয়েছে। সংগ্রাম করতে হয়েছে। চাকরি করে যা পেতাম তা থেকে জমিয়ে ব্যবসা শুরু করি। সেখান থেকে কর্মীর বেতন দিই। মূলধনের চেয়ে ব্যবসার মূল ট্র্যাকে উঠতে আমাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। প্রচুর পড়াশোনা করতে হয়েছে।’

শুরুটা কিছু ইন্ডাস্ট্রিয়াল কেমিক্যাল ও প্লাস্টিকের কাঁচামাল দিয়ে হলেও পরে তার সঙ্গে যুক্ত হন বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস, স্যানিটারি ওয়্যার, বাথ ফিটিংস, টাইলসের ব্যবসায়। এর সঙ্গে চলতে থাকে এগুলোর আমদানি ও বিপণন ব্যবস্থাপনা। এরপর তিনি শুরু করেন পরিবেশবান্ধব স্যানিটারি পণ্য। প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি খাত, পানি ও পরিবেশ খাত, বাল্ক ফার্টিলাইজার ও কোল ট্রেডিং, ফুড গ্রেইন অ্যান্ড কমোডিটিস ট্রেডিং, এলইডি লাইট অ্যান্ড ব্র্যান্ড স্যানিটারি ওয়্যার।

পরিবেশবান্ধব পণ্যের ব্যবসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্যবসায় আমার দর্শন অর্থোপার্জনই নয়। এই পরিবেশবান্ধব পণ্যগুলো একই সঙ্গে যেমন আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করবে, ঠিক পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করবে বলে আমি আশাবাদী। বিদেশের যেসব কম্পানি আমাদের দেশে বিনিয়োগ করছে, তারা চায় কলকারখানাগুলো যেন পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে না পারে। আমরাও চাই এ দেশে সবুজ শিল্পের বিকাশ হোক।

তথ্যসূত্র: কালেরকন্ঠ ডটকম।

More News Of This Category