1. [email protected] : editorpost :
  2. [email protected] : jassemadmin :

বাংলাদেশে উৎপাদন হচ্ছে আম্বার, মরিয়াম, ও আজওয়া খেজুর!

অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছেন দেশের বিজ্ঞানীরা। মধ্যপ্রাচ্যের ফল খেজুর উৎপাদনে প্রাথমিকভাবে সফল হয়েছেন তারা। মেহেরপুরের মুজিবনগর কমেপ্লেক্সে পরীক্ষামূলকভাবে তৈরি বাগানের ২০টি গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে খেজুর। চলছে সাকারের (কাণ্ড থেকে গজানাে চারা) মাধ্যমে চারা তৈরির প্রক্রিয়া।

সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখন প্রয়োজন দেশে একটি খেজুর রিসার্চ সেন্টার। তাহলেই সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব হবে স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি সুমিষ্ট এই ফল। বাগানের ব্যবস্থাপক মহিবুল ইসলাম জানান, ২০১৪ সালে কুষ্টিয়া ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের কয়েকজন বিজ্ঞানী মধ্যপ্রাচ্যের দুবাই থেকে নিয়ে আসেন আজওয়া, আম্বার, মরিয়ম, ডেগলেটনুর, খালাচসহ খেজুরের ১০টি জাত।

চারা তৈরি করে আড়াই হাজার গাছ লাগানো হয় মেহেরপুরের মুজিবনগর কমপ্লেক্সে। মাত্র চার বছরের মাথায় আসে ফল। আর্টিফিশিয়াল পরাগায়নের মাধ্যমে বাড়ানো হয় ফল ধারণের ক্ষমতা। পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে নেট দিয়ে আর বৃষ্টির পানি যাতে না পড়ে সেজন্য পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে পুরো থোকা।

ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান জানান, মধ্যপ্রাচ্যের আবহাওয়ার সঙ্গে এখনকার আবাহাওয়ার মিল না থাকায় খেজুরের এ পর্যায় আসতে অনেক প্রতিকূল পরিবেশ পাড়ি দিতে হয়েছে। তবে ২০টি গাছে পরিপূর্ণ ফল আসায় আমরা খুশি। এখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে ফলের মিষ্টতা ধরে রাখার। এটি সফল হলে সাকারের মাধ্যমে চারা তৈরি করে কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া হবে।

ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের আরেক ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এস এম শহিদুল্লাহ জানান, খেজুরের এ চাষ ছড়িয়ে দিতে পারলে দেশে খেজুরের চাহিদা মেটানো সম্ভব। তবে মধ্যপ্রচ্যের আবহাওয়া ও এখনকার আবহাওয়া এক না হওয়ায় সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী গবেষণার। তাই এ অঞ্চলে সরকারিভাবে একটি ডেট (খেজুর) রিসার্চ সেন্টার তৈরির দাবি জানান তিনি। তথ্যসূত্র: জাগো নিউজ।

More News Of This Category