1. editor@islaminews.com : editorpost :
  2. jashimsarkar@gmail.com : jassemadmin :
সফলতার গল্প :
বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে টাকা বিনিয়োগ করে ঝুঁকিমুক্ত মুনাফা ঘরে তুলুন! খালি হাতে ঢাকায় এসে ৯০ হাজার টাকায় শুরু খেলনার কারখানায় এখন ৮০০ কর্মী! ব্যাংকের এফডিআর হিসাবে টাকা রাখলে যেভাবে দ্বিগুণ হবে! ৫ টি গরু দিয়ে শুরু খামারে এখন দুই কোটি টাকা দামের ৯৬টি গরু! শখের বসে করা ছাগলের খামারে তিন বছরে ১৫ লাখ টাকার বাজিমাত! ৫০ হাজার টাকায় শুরু করা গরু-ছাগলের খামারে চার যুবকের ভাগ্য বদল! বিদেশ যেতে লাখ লাখ টাকা ব্যয় না করে ছাগলের খামারে বেশী আয় সম্ভব! গয়াল পালন, গরু মোটাতাজাকরন ও বায়োফ্লকে মোটা অংকের টাকা লোন! মাত্র ৯ হাজার টাকা লোন নিয়ে হাঁসের খামার করে মাসে আয় ৩৫ হাজার! চাকরীর পেছনে না ছুটে গয়ালের খামার করে বাজিমাত!

ব্যবসা বাড়াতে সর্বদা নতুন বাজার খোঁজার চেষ্টা করি

১৯৫৪ সালে আব্দুল রহিম তৈরি পোশাকের খুচরা ব্যবসা শুরু করেছিলেন। ১৯৫৮ সালে তাঁর কোম্পানি রহিমআফরোজ এক ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীকে নিয়ে ব্যাটারির পরিবেশক হিসেবে এই খাতে প্রবেশ করে। আর ১৯৯০ সালের মধ্যে তাঁরা ব্যাটারির উৎপাদন ব্যবসা নিজের হাতে নিয়ে আসেন। ধীরে ধীরে এই খাতের নেতৃত্বের আসনে বসেন তাঁরা।

রহিমআফরোজ আজ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ প্রতিষ্ঠান। তারা সব সময় নতুন বাজার খোঁজার চেষ্টা করে। একবিংশ শতকের প্রথম ভাগে রহিমআফরোজ গ্রুপ বাংলাদেশের প্রথম সুপার মার্কেট চেইন শুরু করে।

এখানেই শেষ নয়, রহিমআফরোজ আরও কিছু নতুন ব্যবসা শুরু করে; যেমন গাড়ির যন্ত্রাংশ উৎপাদন, গাড়ি বিক্রয়, জ্বালানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি।

পাঁচটি মূল্যবোধের ভিত্তিতে রহিমআফরোজ ব্যবসা পরিচালনা করে। এগুলো হলো: সততা, উৎকর্ষ, গ্রাহক সন্তোষ, উদ্ভাবন ও মানুষকে উৎসাহিত করা।

প্রতিষ্ঠাতা আব্দুর রহিমের সন্তান ও গ্রুপের পরিচালক নিয়াজ রহিম বলেন, ‘আব্দুর রহিম যে নৈতিক মূল্যবোধে জোর দিতেন, আমরা আজও তা মেনে চলার চেষ্টা করি। তিনি ঝুঁকি নিতে চাইতেন, যা আমাদের সব সময় অনুপ্রাণিত করে। নতুন নতুন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করে আমরা সেখানকার নেতৃত্বের আসনে বসতে চাই।’

পারিবারিক জীবনের ব্যাপারেও আব্দুর রহিম অত্যন্ত যত্নশীল ছিলেন। পরিবারের সদস্য ও কোম্পানির কর্মীরা যেন কাজে যত্নবান ও দক্ষ হন এবং পরিবারের সঙ্গে ভালো সময় কাটাতে পারেন, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করতেন তিনি।

রহিমআফরোজে ২০০৯ সালে একটি পারিবারিক সভা গঠিত হয়। এই সভা বছরে একটি সম্মেলন করে থাকে। সম্মেলনে পরিবারের সব সদস্যকে, তিনি ব্যবসায় যুক্ত থাকুন বা না থাকুন, কোম্পানির অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করা হয়।

এখন পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের সদস্যরা ব্যবসায় প্রবেশ করছেন। যে খাতে তাঁরা আগ্রহী সেই খাতের একজন ব্যবস্থাপকের অধীনে তাঁদের প্রশিক্ষণ নিতে হয়। এতে তাঁরা যেমন কোম্পানির মূল্যবোধ সম্পর্কে অবগত হন, তেমনি ব্যবসায় নেতৃত্ব দিতেও প্রস্তুত হচ্ছেন। তথ্যসূত্র: প্রথমআলো।

More News Of This Category