মন ভালো রাখতে যা করবেন না!

মন ভালো রাখতে আমরা কত কিছুই না করি। আদৌ কি মন ভালো হয়? কর্মজীবনের ব্যস্ততা এড়িয়ে মন ভালো রাখা কঠিন কাজগুলোর একটি। দৈনন্দিন জীবনে চাপ এড়িয়ে কীভাবে মন ভালো রাখবেন, সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন মার্কিন প্রযুক্তিবিদ ও লেখক ম্যাক্স লুকোমিনেস্কি। তাঁর পরামর্শ হলো—

অন্যকে নিয়ে কথা বলবেন না: আমরা যেকোনো আড্ডায় অন্যদের নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করি। আমাদের পছন্দ হলেও বিষয়টি কিন্তু আসলে নেতিবাচক। অবচেতন মনে অন্যদের নিয়ে কথা বলতে বলতে আমরা নেতিবাচক কথার দিকে চলে যাই।

অন্যদের নিয়ে কথা বলার অভ্যাস পরিহার করুন। চেষ্টা করুন নতুন নতুন ধারণা নিয়ে কথা বলতে। নতুন কোনো বই, সিনেমা কিংবা ঘোরাঘুরি নিয়ে পরিকল্পনা করুন। যতটা সম্ভব আলাপ–আলোচনায় নতুনত্ব আনার চেষ্টা করুন।

হিংসা করবেন না: আমাদের জীবনে অনেক ব্যর্থতা আছে। ব্যর্থতা ছাড়া জীবন কি এগোয়? সেই ব্যর্থতার অছিলায় আমরা অন্যদের হিংসা করি। কখনো সজ্ঞানে আবার কখনো অবচেতনভাবে। হিংসায় বশবর্তী হয়ে কখনোই কোনো কাজ করবেন না বা অন্যের ক্ষতি করবেন না। মনে রাখবেন, হিংসা করে কখনোই সুখী কিংবা সফল হওয়া যায় না।

নিজেকে অন্যদের সঙ্গে তুলনা করবেন না: আমরা নিজেদের অন্যের সঙ্গে তুলনা করতে দারুণ পছন্দ করি। কখনো তুলনায় নিজেকে এগিয়ে রাখি, আবার তুলনায় আমরা পিছিয়ে পড়ি। জীবনকে জীবনের মতো চলতে দিন, নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করে অসুখী হবেন কেন?

কাজের জন্য জীবনকে হারিয়ে ফেলবেন না: বেঁচে থাকতে যেমন কাজ করতে হবে, তেমনি বেঁচে থাকাও শিখতে হবে। কাজের জন্য জীবনকে হারিয়ে ফেলবেন না। বেঁচে থাকার জন্য ঘুরতে যেতে হবে, মানুষের সঙ্গে মিশতে হবে। নিত্যনতুন অভিজ্ঞতায় নিজেকে আলোকিত করে এগিয়ে যেতে হবে।

উদ্ধত আচরণ করবেন না: অন্যের ওপর কখনো নিজের উদ্ধত আচরণ প্রদর্শন করবেন না। আমাদের সাধারণ ভাবনা হচ্ছে উদ্ধত আচরণ করলে আমরা আমাদের শক্তি প্রকাশ করি। আসলে আমরা তখন ভুল করি। ভদ্রতা বজায় রেখে অন্যকে তার প্রাপ্য সম্মান দিয়ে কথা বলুন।

প্রযুক্তির প্রতি আসক্ত হবেন না: ফেসবুক কিংবা মুঠোফোন ছাড়া আমাদের অনেকের জীবন যেন অচল। বুদ্ধিমানের মতো প্রযুক্তিকে নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার করুন, প্রযুক্তির প্রতি আসক্ত কখনোই হবেন না। মনে রাখা দরকার, প্রয়োজনেই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে।

তথ্যসূত্র: প্রথমআলো ডটকম।

SHARE