1. [email protected] : editorpost :
  2. [email protected] : jassemadmin :

মোটরবাইক কেনার আগে!

পাবলিক ট্রান্সপোর্টের ঝামেলা এড়াতে অনেকেই এখন ঝুঁকছেন প্রাইভেট ট্রান্সপোর্টের দিকে। সামর্থ্য এবং সুবিধা অনুযায়ী সাইকেল, মোটরসাইকেল বা গাড়ি কিনছেন। সাধ ও সাধ্যের মধ্যে অনেকেরই প্রিয় বাহন মোটরসাইকেল।

ব্যবহারকারীদের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই মোটরসাইকেলের ব্যবসা জমজমাট হয়ে উঠেছে আমাদের দেশে, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায়। জ্যাম পেরিয়ে সময় বাঁচানোর জন্য চাকরিজীবীরা ঝুঁকছেন মোটরসাইকেলের দিকে। অনেকেই হয়তো নিজের প্রথম মোটরসাইকেলটির জন্য টাকা জমাচ্ছেন। তাঁদের জন্য মোটরসাইকেলস ডটকম ওয়েবসাইট থেকে কিছু সাধারণ টিপস নেওয়া হয়েছে, সঙ্গে আরো কিছু যোগ করা হয়েছে দেশীয় ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে।

১. প্রয়োজনীয়তা: আগে নিজের প্রয়োজনকে ঠিক করে বুঝতে হবে। শুধু অফিস যাতায়াতের জন্য হলে ছোটখাটো বাইক বা স্কুটার হলেও চলবে। এ ক্ষেত্রে ৮০ বা ১০০ সিসির বাইক কিনতে পারেন। আর যদি পরিবারের সবার যাতায়াতের জন্য হয়, তাহলে একটু বড় বাইক কিনতে হবে। আপনার যাতায়াতের দূরত্ব যদি বেশি হয়, তাহলে ১৫০ সিসির বাইক কেনাই ভালো। এতে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছে যেতে পারবেন, সময় বাঁচবে।

২. নতুন না পুরোনো?: প্রথমে ঠিক করুন, নতুন মোটরসাইকেল কিনবেন নাকি পুরোনো? বিষয়টি নির্ভর করছে আপনার বাজেট এবং পছন্দের ওপর। যদি কম দামে নিজের পছন্দের বাইকটি পেয়ে যান, তাহলে পুরোনো হলেও সেটা নিতে পারেন। সঙ্গে গাড়ির কাগজপত্র তৈরি অবস্থায় পাবেন। কেনার আগে টেস্ট ড্রাইভ করে নেওয়াটা ভালো। অনলাইনে ইদানীং পুরোনো গাড়ি কেনাবেচা হয় প্রচুর। এ ছাড়া গ্যারেজগুলোতে খোঁজ নিলেও পাওয়া যাবে পুরোনো গাড়ি। নতুন মোটরসাইকেল কিনতে চাইলে আগে ব্র্যান্ড ঠিক করে নেওয়াটা ভালো। পরে বাজেট অনুযায়ী মোটরসাইকেল পছন্দ করতে পারেন।

৩. বাজেট: মোটরসাইকেল কেনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আপনার বাজেট। অনেক মোটরসাইকেলই আপনার পছন্দ হবে। কিন্তু সে অনুযায়ী টাকা আপনি খরচ করতে পারবেন কি না, সেটা হচ্ছে আসল ব্যাপার। প্রথমেই বাজেট ঠিক করে নিন। এক লাখ টাকার মধ্যে যেমন বাইক পাওয়া যায়, তেমনি তিন লাখ টাকার মোটরসাইকেলও বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। তাই আগে নিজের বাজেট স্থির করুন। নগদ টাকায় কিনবেন নাকি কিস্তিতে, সেটাও ঠিক করে ফেলুন।

৪. তেলসাশ্রয়ী মোটরসাইকেল: মোটরসাইকেল যেহেতু তেলে চলে, তাই খরচ বাঁচাতে তেলসাশ্রয়ী মোটরসাইকেল সবাই কিনতে চান। এ ক্ষেত্রে ভারতীয় মোটরসাইকেল, যেমন—হিরো, বাজাজ, মাহিন্দ্রা কিংবা জাপানি সুজুকি মোটরসাইকেলের সুনাম রয়েছে। দ্রুতগতির গাড়ি বা ১৫০ সিসির গাড়িতে তেল খরচ বেশি। যদি সাধ্য থাকে তো, ইয়ামাহা বা ভারতীয় ১৫০ সিসির মোটরসাইকেল কিনতে পারেন। এ ছাড়া বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো, যেমন—রানার, ওয়ালটন কম দামে ৮০ ও ১০০ সিসির মোটরসাইকেল বাজারজাত করছে। বাজেট কম থাকলে এসব বাইক কেনা যেতে পারে। কারণ, এগুলো সহজেই কিস্তিতে কেনা যায়। তবে ভারতীয় মোটরসাইকেলের তুলনায় এসব মোটরসাইকেলের তেল খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি হয়ে থাকে।

৫. স্থায়িত্ব: অনেকেই আছেন, একই মডেলের মোটরসাইকেল বেশিদিন চালাতে পছন্দ করেন না। সে ক্ষেত্রে তাঁরা পুরোনো বাইক কিনে থাকেন এবং দুই/তিন বছর পর তা বিক্রি করে দিয়ে আবারো নতুন বাইক কেনেন। আবার অনেকে চান, নতুন বাইক কিনে অনেক দিন চালাতে। সে ক্ষেত্রে পরিচিত কারো কাছ থেকে পরামর্শ নিতে পারেন, যাঁরা অনেক দিন ধরে মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন। নিজেও বাজার ঘুরে দেখতে পারেন।

তথ্যসূত্র: এনটিভি বিডি ডটকম।

More News Of This Category