1. [email protected] : editorpost :
  2. [email protected] : jassemadmin :

রিয়েল এস্টেট ব্যবসা থেকে আয় করার সেরা কিছু উপায়!

রিয়েল এস্টেটের মাধ্যমে আয় করা বলতে আমরা শুধুমাত্র রিয়েল এস্টেটের ব্যবসাই বুঝে থাকি। অনেকের হয়তো রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা করার ইচ্ছাও থাকে। কিন্তু রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা করার জন্য অনেক বেশি টাকার দরকার পড়ে বলে, অনেকেই ইচ্ছার শুরুতেই সেটাকে দমিয়ে দিতে হয়। কিন্তু রিয়েল এস্টেটের মাধ্যমে আয় করা বলতে কি শুধুমাত্র রিয়েল এস্টেটের ব্যবসাই বোঝায়?

রিয়েল এস্টেটের মাধ্যমে আয় করার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন পড়ে। আর তাই, রিয়েল এস্টেটের মাধ্যমে আয় করার জন্য অন্যান্য পদ্ধতিতে আমাদের কাজ করতে হবে। চলুন দেখে আসি, রিয়েল এস্টেটের মাধ্যমে আয় করার সেরা কিছু পদ্ধতি সম্পর্কে।

ফিক্স এন্ড ফ্লিপ হাউস: রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট স্ট্র্যাটেজিগুলোর মধ্যে অসাধারণ শর্ট টার্ম একটি স্ট্র্যাটেজি হচ্ছে ফ্লিক্স এন্ড ফ্লিপ হাউস। এক্ষেত্রে যারা হাউস ফ্লিপার রয়েছে, তারা মূলত অল্প মূল্যে এমন কিছু ঘর খুঁজে বের করে যেগুলোকে আবার নতুন করে সাজাতে হবে। আর তারপরে তারা সেই ঘরগুলোকে নতুন করে সাজিয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি করে। ফিক্স এন্ড ফ্লিপ হাউস মেথডের জন্য অন্যতম একটি কোম্পানি হচ্ছে ফরচুন বিল্ডারস।

রিপ্রেজেন্ট হোম বায়ারস: রিপ্রেজেন্ট হোম বায়ারস মেথডের জন্য অন্যতম একটি কোম্পানি হচ্ছে ক্লাইম্ব রিয়েল এস্টেট। ক্লাইম্ব রিয়েল এস্টেটের ফাউন্ডার কেনি ট্রুওং রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় প্রথমবার পা দিয়েই , শুধুমাত্র ভাইরাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমেই রিপ্রেজেন্ট হোম বায়ারস মেথডের মাধ্যমে সফল হয়েছেন। যারা বাড়ি কিনতে চায়, শুধুমাত্র তাদের পছন্দমতো ঘরের মূল্য ও ঠিকানা তাদের কাছে পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমেই এই পদ্ধতিতে কাজ করা হয়।

ইনভেস্ট ইন রাইট (রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্ট): রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট ফার্মগুলো মূলত বিভিন্ন রিয়েল এস্টেট পোর্টফোলিও ম্যানেজ ও মেনটেইন করে থাকে। যদি আপনি কম ঝুঁকিতে রিয়েল এস্টেটে ফার্মগুলোতে ইনভেস্ট করতে চান, তাহলে রাইট আপনার জন্য সেরা একটি মাধ্যম। ম্যারোটা ওয়েলথ ম্যানেজমেন্টের প্রেসিডেন্ট ডেভিড জন ম্যারোটার মতে,

“যখন বিভিন্ন বন্ডের ক্ষেত্রে ৩ শতাংশ ও শেয়ার বাজারের ক্ষেত্রে ৬.৫ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতি দেখা যায়, তখন রিয়েল এস্টেটগুলো এই দুটোর মাঝখানে অবস্থান করে, যেটা মূলত ৪.১ শতাংশ থেকে ৪.৯ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।”

রিপ্রেজেন্ট হোম সেলারস: রিপ্রেজেন্ট হোম সেলারস মেথডের জন্য অন্যতম একটি কোম্পানি হচ্ছে অ্যাটলান্টা রিয়েল এস্টেট প্রফেশনাল। অ্যাটলান্টা রিয়েল এস্টেট প্রফেশনালের ফাউন্ডার স্টেইসি গ্যালান রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় হাজার হাজার ডলার খরচ করেন নি। শুধুমাত্র ফেসবুক ও টুইটারের মাধ্যমে মার্কেটিং করেই রিপ্রেজেন্ট হোম সেলারস মেথডের মাধ্যমে সফল হয়েছেন। যারা বাড়ি বিক্রি করতে চায়, শুধুমাত্র তাদের পছন্দমতো ঘরের মূল্য ও ঠিকানা দিয়ে বায়ারদের সাথে যুক্ত করে দেয়ার মাধ্যমেই এই পদ্ধতিতে কাজ করা হয়।

ক্রিয়েট অ্যা রিয়েল এস্টেট অ্যাপ্লিকেশন: অনেকেই আছেন যারা রিয়েল এস্টেট নিয়ে কাজ করতে চান, কিন্তু ইনভেস্টমেন্ট করার মতো অর্থ তাদের কাছে থাকে না। সেক্ষেত্রে আপনি খুবই অল্প মূল্যে ডেভেলপার দ্বারা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন অথবা জেনারেল সফটওয়্যার তৈরি করাতে পারেন। আর তারপরে, বিভিন্ন রিয়েল এস্টেট সম্পর্কিত তথ্য দ্বারা আপনার অ্যাপ্লিকেশনটিকে সাজাতে পারেন। এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ আয় হবে ট্র্যাফিকের উপর। সুতরাং শুধুমাত্র অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করলেই হবে না, এর মার্কেটিংয়ের দিকেও আপনাকে মনোযোগ দেয়া লাগবে।

ইনভেস্ট ইন নন পারফর্মিং নোটস: নন পারফর্মিং নোট হচ্ছে এক ধরণের বন্ধক, যেটা মূলত ঋণগ্রহীতাদের উপর কাজ করে। মাঝে মাঝে বাড়ি বিক্রি করার ছাড়াও বাড়ির মালিকেরা ইনভেস্টরদের কাছে অনেক অংশ ছাড়ে বন্ধক দিয়ে থাকে। যদিও নন পারফর্মিং নোটে অনেক ঝুঁকি রয়েছে কিন্তু এই খাতে অনেক লাভও আশা করা যায়। এই খাতের সেরা একটি কোম্পানি হচ্ছে পিপিআর দ্যা নোট কোম্পানি।

১০৩১ এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে আয় করা: ধরুন, আপনি ডিসকাউন্টে কিংবা অল্প মূল্যে একটি বাড়ি ক্রয় করলেন। এক্ষেত্রে সেই বাড়িতে যদি আপনি ইনভেস্টিং রুল ১০৩১ সেকশন মোতাবেক এক্সচেঞ্জ করে থাকেন, তাহলে সেখান থেকে আপনি বেশ ভালো পরিমাণ আয় করতে পারবেন। রিয়েলাইজড ১০৩১ হচ্ছে এমন একটি কোম্পানি যেখানে, আপনি এই ধরণের এক্সচেঞ্জের কাজ করতে পারবেন।

ইনভেস্ট ইন হোলসেলিং হাউস: আপনার কাছে যদি ব্যাগভর্তি টাকা না থাকে, তাহলে আপনি খুব সহজেই হোলসেলিং হাউসে ইনভেস্ট করতে পারেন। মাঝে মাঝে রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টররা অনেক ধরণের কমদামী বাড়ি খুঁজে বের করে থাকেন, যেটাকে তারা বিভিন্ন কন্ট্রাক্টের মধ্যে দিয়ে রাখেন।

তারা সেই জায়গাগুলোকে অল্প মূল্যে ক্রেতাদের কাছে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ভাড়া দিয়ে থাকেন। আর সেক্ষেত্রে এসব হোলসেলিং হাউস হিসেবে বিক্রি হয়ে থাকে। আপনি চাইলে এসব হোলসেলিং হাউসে ইনভেস্ট করতে পারেন, যেখান থেকে অনেক কম সময়েই বেশ ভালো পরিমাণ অর্থ আয় করা সম্ভব হবে।

কমার্শিয়াল রিয়েল এস্টেট লিজ নিয়ে আয় করতে পারেন: অফিস ও কমার্শিয়াল কাজের জন্য জায়গা খুঁজে পাওয়াটা অনেক কষ্টকর। সেক্ষেত্রে আপনার কাছে যদি বেশ কিছু টাকা থাকে, তাহলে সেগুলো দিয়ে কমার্শিয়াল জায়গাগুলোতে ইনভেস্ট করতে পারেন। সেক্ষেত্রে যখন আপনার ইনভেস্ট করা জায়গাতে কেউ লিজ নিবে, তখন সেখান থেকে আপনি আয় করতে পারবেন। কাস্টোমাইজড রিয়েল এস্টেট সার্ভিস হচ্ছে এমন একটি কোম্পানি, যারা এসব স্থান খুঁজে সেসব জায়গায় ইনভেস্ট করে থাকে।

রিয়েল এস্টেট ক্রাউডফান্ডিং: ক্রাউডফান্ডিং মূলত বিভিন্ন ইনভেস্টরদের সরাসরি রিয়েল এস্টেটগুলোতে ইনভেস্ট করার জন্য অর্থ জমা করে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ইনভেস্টররা সঠিক জায়গায় ও উপযুক্ত রিয়েল এস্টেটে ইনভেস্ট করতে পারছেন না। আবার প্রায়শই দেখা যায় যে, রিয়েল এস্টেটে ইনভেস্ট করতে গেলে অনেক অর্থের দরকার পড়ে, যেটা বেশিরভাগ ইনভেস্টরদের কাছেই থাকে না।

সেক্ষেত্রে, ক্রাউডফান্ডিং অসাধারণ উপকারী মেথড হতে পারে। লেন্ডিং হোমের মতো একটি কোম্পানি তৈরি করলে সেখানে ক্রাউডফান্ডিংয়ের মাধ্যমে ইনভেস্টরদের অল্প পরিমাণ অর্থও সঠিক আর উপযুক্ত রিয়েল এস্টেটে ইনভেস্ট করা যায়। তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

More News Of This Category