1. [email protected] : editorpost :
  2. [email protected] : jassemadmin :

সওজের শীর্ষ ১০ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান

ফেনীর সোনাগাজী-কোম্পানীগঞ্জ সংযোগস্থলে গত বছর নির্মাণাধীন একটি সেতুর গার্ডার ভেঙে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করায় ভেঙে পড়ে গার্ডারটি। সেতুটির নির্মাণকাজে যুক্ত ছিল রানা বিল্ডার্স লিমিটেড নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরে একাধিক প্রকল্পে দেড় হাজার কোটি টাকার কাজ করছে।

দৌলতদিয়া-খুলনা মহাসড়ক সংস্কারে দায়সারাভাবে কাজ সম্পন্নের অভিযোগ রয়েছে। কাজটি করেছে ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন লিমিটেড নামের আরেকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠান সওজ অধিদপ্তরের একাধিক প্রকল্পে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার কাজ করছে।

সওজের তথ্য অনুযায়ী, রানা বিল্ডার্স, ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশনের মতো শীর্ষ ১০ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানই করছে অধিদপ্তরের ৫৫ শতাংশ কাজ (আর্থিক মূল্যে)। এ তালিকার বাকি আট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্পেক্ট্রা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড, আব্দুল মোনেম লিমিটেড, এমএম বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড, মনিকো লিমিটেড, কনকর্ড প্রগতি কনসোর্টিয়াম লিমিটেড, মীর আখতার হোসেন লিমিটেড, তমা কনস্ট্রাকশন ও হাসান টেকনো বিল্ডার্স লিমিটেড। এক দশকের বেশি সময় ধরেই সওজের সিংহভাগ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে এসব প্রতিষ্ঠান। সড়কের মানের বিষয়টিও তাই এসব ঠিকাদারের ওপরই অনেকাংশে নির্ভর করছে।

যদিও খোদ সওজই বলছে, দেশের এক-চতুর্থাংশ সড়কের অবস্থা খারাপ। আর বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, বাংলাদেশের চেয়ে খারাপ সড়ক অবকাঠামো আছে কেবল নেপালের। দেশের সড়ক অবকাঠামোর মান সম্পর্কে জানতে চাইলে শীর্ষস্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আব্দুল মোনেম গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এএসএম মহিউদ্দিন মোনেমবলেন, একটা কাজ করার জন্য যে পর্যায়ের ফাউন্ডেশন দরকার, তা না হলে মান খারাপ হবে।

ফাউন্ডেশন ঠিকঠাক না করে উপরে একটা বা দুটো লেয়ারে কোনো রকমে পিচ ঢালাই দিয়ে কাজ শেষ করা হলে সেই সড়ক কখনই টেকসই হবে না। ফাউন্ডেশনের কাজটা ভালোমতো করতে প্রাথমিকভাবে খরচ একটু বেশি হলেও রাস্তাটি টেকসই হয়। তবে ঢালাওভাবে যখন বলা হয়, বাংলাদেশের সড়কের মান খারাপ, তখন সেটি আমি ব্যক্তিগতভাবে মানতে পারি না।

সওজের চলমান কাজের হালনাগাদ মূল্যতালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ৯৫টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সব মিলিয়ে ১৮ হাজার ৭০৬ কোটি টাকার কাজ করছে তারা। এর অর্ধেকের বেশি করছে শীর্ষ ১০ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

আর্থিক মূল্যে সবচেয়ে বেশি টাকার কাজ করছে স্পেক্ট্রা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড। বর্তমানে অধিদপ্তরের ১ হাজার ৫১৯ কোটি টাকার কাজ করছে স্পেক্ট্রা। এর মধ্যে ৪৪১ কোটি টাকায় উন্নয়নকাজ করছে সিলেট- কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ সড়কে। হাতিরঝিল সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বাড্ডা ইউলুপ, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ভুলতা ফ্লাইওভারসহ একাধিক বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা আছে স্পেক্ট্রা গ্রুপের এ প্রতিষ্ঠানের। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান খান মো. আফতাব উদ্দিন। স্পেক্ট্রা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

১ হাজার ৫০৬ কোটি টাকার কাজ নিয়ে অধিদপ্তরের ঠিকাদারদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে রানা বিল্ডার্স প্রাইভেট লিমিটেড। ঢাকা-খুলনা-ভাঙ্গায় (মাওয়া রোড) ধীরগতির যানবাহনের জন্য পৃথক লেনসহ চার লেনের জাতীয় সড়কের ১১ নম্বর প্যাকেজের কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি। এর ভিত্তিমূল্য ৩০০ কোটি টাকা।

পাশাপাশি গাজীপুর সড়ক বিভাগে টঙ্গী-কালীগঞ্জ-ঘোড়াশাল-পাঁচদোনা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে একটি প্যাকেজের কাজ করছে। এ কাজের মূল্য ৫৮ কোটি টাকা। একইভাবে সড়ক উন্নয়নের কাজ করছে কুমিল্লা-লালমাই-চাঁদপুর-লক্ষ্মীপুর-বেগমগঞ্জ সড়কের একটি প্যাকেজে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৪৮ কোটি টাকা। প্রায় ৬৭ কোটি টাকায় একই সড়কে আরেকটি প্যাকেজের কাজও করছে প্রতিষ্ঠানটি। ৫৩ কোটি টাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর-শিবপুর-রাধিকা সড়কের একটি অংশের কাজ বাস্তবায়ন করছে রানা বিল্ডার্স।

এর আগে ঢাকা-কুয়াকাটা সড়কের পটুয়াখালীর শেখ জামাল সেতু, শেখ রাসেল সেতু ও শেখ কামাল সেতু, যাত্রাবাড়ী কাঁচপুর সড়ক, কাঁচপুর-ভৈরব-সিলেট-জাফলং সড়ক, জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল-জামালপুর জাতীয় মহাসড়ক, জিঞ্জিরা-কেরানীগঞ্জ-নবাবগঞ্জ-দোহার সড়কসহ সওজ অধিদপ্তরের আরো বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে রানা বিল্ডার্স।

২০০৫ সাল থেকে রানা বিল্ডার্স সওজ অধিদপ্তরের অন্তত ১১০টি সড়ক ও সেতু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে, যেগুলোর কাজের আর্থিক মূল্য প্রায় ৮২০ কোটি টাকা। ঠিকাদারির পাশাপাশি সিএনজি ও ফিলিং স্টেশনের ব্যবসাও রয়েছে রানা বিল্ডার্সের। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আছেন মো. আলম।

শীর্ষ ঠিকাদারদের তালিকায় আব্দুল মোনেম লিমিটেড আছে ৩ নম্বরে। বর্তমানে অধিদপ্তরের ১ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকার কাজ করছে নির্মাণ খাতের পুরনো প্রতিষ্ঠানটি। এলেঙ্গা থেকে রংপুর পর্যন্ত মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীতকরণে একটি প্যাকেজের কাজ ছাড়াও নির্মাণাধীন মেট্রোরেল প্রকল্পের একটি অংশের কাজও করছে আব্দুল মোনেম লিমিটেড।

জাপানের টেক্কেন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে মেট্রোরেল প্রকল্পের প্যাকেজ-৫-এর আওতায় আগারগাঁও থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত নির্মাণকাজের দায়িত্ব পেয়েছে আব্দুল মোনেম লিমিটেড। এ অংশে উড়াল রেলপথ ও স্টেশন নির্মাণের কাজ করছে তারা। পদ্মা সেতুর দুই পাড়ের সংযোগ সড়ক ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণেও কাজ করছে আব্দুল মোনেম লিমিটেড। কাজটি তারা বাস্তবায়ন করছে মালয়েশীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হাইওয়ে কনস্ট্রাকশন ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে যৌথভাবে।

আব্দুল মোনেম গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এএসএম মহিউদ্দিন মোনেম বলেন, বাংলাদেশের পুরনো কনস্ট্রাকশন কোম্পানিগুলোর অন্যতম আব্দুল মোনেম। বছরের পর বছর ধরে আমরা যে কাজগুলো করেছি, সেগুলোর মান নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবে না। আমাদের দর্শন হলো কোয়ালিটি অ্যান্ড টাইম।

কাজ মানসম্মত করতে হবে এবং সেটা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে। এখন যদি বিশ্বব্যাংক বলেও থাকে, স্থানীয় অনেকগুলো কাজের মান খারাপ, তাহলে সেটা তারা করতেই পারে। তবে অন্য কনস্ট্রাকশন কোম্পানির কাজের মূল্যায়ন তো আমরা করতে পারব না। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, আব্দুল মোনেম লিমিটেড যেখানে যে কাজ করে এসেছে, সে কাজ নিয়ে কখনো কোনো ধরনের অভিযোগ ওঠেনি।

ঢাকা-টাঙ্গাইল চার লেন মহাসড়ক, ভুলতা ফ্লাইওভারসহ সওজ অধিদপ্তরের বিভিন্ন কাজের একটা বড় অংশ বাস্তবায়ন করছে এমএম বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি অধিদপ্তরের শীর্ষ ঠিকাদারের তালিকায় রয়েছে চতুর্থ স্থানে। বর্তমানে ৯৯৮ কোটি টাকার কাজ করছে এ প্রতিষ্ঠান। সওজ অধিদপ্তর ছাড়াও সেতু বিভাগের অধীনে পদ্মা সেতু প্রকল্পে নদী শাসনের একটি অংশের কাজ পেয়েছে এমএম বিল্ডার্স। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন মাহবুবুর রহমান।

রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া সড়ক উন্নয়ন, দৌলতদিয়া-খুলনা মহাসড়ক, হেমায়েতপুর-সিঙ্গাইর মানিকগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কসহ সওজ অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। অধিদপ্তরের শীর্ষ ঠিকাদারের তালিকায় এ প্রতিষ্ঠান আছে পঞ্চম স্থানে। বর্তমানে তারা সওজের ৯৩৬ কোটি টাকার কাজ করছে। ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন করিম গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। এ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ আব্দুল করিম মিয়া। তার তিন ছেলের একজন ওয়াহিদ মিয়া। তার নামেই পরিচালিত হচ্ছে ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন।

৮৫০ কোটি টাকার কাজ নিয়ে সওজ অধিদপ্তরের ঠিকাদারদের তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে মনিকো লিমিটেড। ইস্টার্ন বাংলাদেশ ব্রিজ ইমপ্রুভমেন্ট, রোড নেটওয়ার্ক ইমপ্রুভমেন্ট অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স, শাহপরান সেতু, হাতিরঝিল প্রকল্পের সেতু, দ্বিতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু, পঞ্চগড়-তেঁতুলিয়া-বাংলাবান্ধা জাতীয় মহাসড়ক উন্নয়ন, চট্টগ্রাম বন্দরের সংযোগ সড়কসহ অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি।

মনিকো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আছেন ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল আলম ভুঁইয়া বলেন, আশির দশক থেকেই আমরা দেশের সড়ক অবকাঠামো নির্মাণে কাজ করছি। হাতিরঝিলে আমরা সেতুর কাজ করেছি। মানের বিচার সাধারণ মানুষই করবে। যেকোনো অবকাঠামো নির্মাণের সময় আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই মানের প্রতি। এ কারণে এখন পর্যন্ত আমাদের কাজের মান নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠেনি। তবে অনেক সময় ভালো মানের কাজ করার পরও মাটির ধরন ও বিরূপ আবহাওয়ার কারণে সড়ক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর বাইরে সড়কের যে নকশা দেয়া হয়, সেটিরও নানা দুর্বলতার কারণে অনেক সময় কাজের গুণগত মান খারাপ হয়ে যায়।

আশির দশক থেকেই সওজ অধিদপ্তরের সঙ্গে কাজ করছে ইন্স্যুরেন্স ও জ্বালানি খাতের অন্যতম প্রতিষ্ঠান কনকর্ড প্রগতি কনসোর্টিয়াম লিমিটেড। অধিদপ্তরের সবচেয়ে বেশি কাজ করা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তারা আছে সপ্তম স্থানে। বর্তমানে সওজ অধিদপ্তরে ৮২২ কোটি টাকার কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। পূর্বাচল লিংক রোড থেকে বালু নদ পর্যন্ত সংযোগ সড়ক, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা-ফেনী অংশের রক্ষণাবেক্ষণসহ বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করেছে কনকর্ড। এ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মুশফিকুর রহমান।

মীর আখতার হোসেন লিমিটেডও রয়েছে অধিদপ্তরের শীর্ষ ১০ ঠিকাদারের তালিকায়। বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠান ৮০৪ কোটি টাকার কাজ বাস্তবায়ন করছে। তৃতীয় বুড়িগঙ্গা সেতু, ময়মনসিংহের গফরগাঁও সেতু, মিরপুর ফ্লাইওভার, আহসান উল্লাহ মাস্টার ফ্লাইওভারসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে মীর আখতার। বর্তমানে দ্বিতীয় কাঁচপুর, দ্বিতীয় মেঘনা ও দ্বিতীয় গোমতী সেতুর নির্মাণকাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। মীর নাসির হোসেন আছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে।

অধিদপ্তরের আরেক পরিচিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশন। ৬৯০ কোটি টাকার কাজ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি অধিদপ্তরের শীর্ষ ঠিকাদারদের তালিকায় নবম স্থানে রয়েছে। তমা গ্রুপের এ অঙ্গপ্রতিষ্ঠান জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ চার লেন সড়কসহ অধিদপ্তরের একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।

৬২০ কোটি টাকার কাজ নিয়ে তালিকার দশম স্থানে আছে হাসান টেকনো বিল্ডার্স লিমিটেড। টেকনাফ-কক্সবাজার সড়ক সম্প্রসারণসহ অধিদপ্তরের একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি।

সড়কের মান ধরে রাখতে এসব ঠিকাদারের চেয়ে বাস্তবায়নকারী সংস্থার নজরদারি বেশি জরুরি বলে মনে করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. সামছুল হক বলেন, সড়ক নির্মাণের সময় বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলো দেখভালের দায়িত্বে থাকে। তাদেরই উচিত ঠিকাদারদের দিয়ে সবচেয়ে ভালো কাজটি আদায় করে নেয়া। নজরদারি যদি সঠিকভাবে না হয়, তাহলে ঠিকাদার ফাঁকিবাজি বা নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের সুযোগ নেবেই। তথ্যসূত্র: বণিক বার্তা।

More News Of This Category