1. [email protected] : editorpost :
  2. [email protected] : jassemadmin :

সর্বনিন্ম বিনিয়োগে, সর্বোচ্চ ও নিশ্চিত মুনাফা!

সম্প্রতি দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের মধ্যে ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য বিপণন নিয়ে ব্যবসায় করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমি নিজেও একজন উদ্যোক্তা হিসেবে এই ব্যবসায় নিয়ে অনেক খোঁজ খবর নিই। বাংলাদেশের সাধারণ গ্রাহক বিশ্লেষন করে দেখা গেছে সাধারণত দেশীয় পণ্যের প্রতি আগ্রহ অনেক বেশি। পাশাপাশি ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যর বিক্রয়োত্তর সেবার দিকেও ভোক্তা সাধারণের বেশ নজর রয়েছে।

পণ্যের মূল্য বিবেচনা করে দেখা গেছে ইলেক্ট্রনিক্স গৃহস্থলি সামগ্রী কেনার ক্ষেত্রে সাধারণ জনগণের মধ্যে চাইনিজ নন ব্র্যান্ড পণ্যের দিকে ঝোক থাকলেও ওয়ারেন্টি এবং বিক্রয়োত্তর সেবার কথা বিশ্লেষন করে সাধারণ গ্রাহক দেশীয় ব্র্যান্ড এর পণ্যের দিকে বেশি ঝুঁকছে। দেশীয় ব্র্যান্ড এর পণ্যের মধ্যে ওয়াল্টন, যমুনা, মিনিস্টার, মারসেল, ভিশন উল্লেখযোগ্য। এই সমস্ত বিষয় মাথায় রেখেই তরুণ উদ্যোক্তারা দেশীয় ইলেক্ট্রনিক্স ব্র্যান্ড এর ডিলারশিপ ব্যবসায়ের প্রতি ঝুঁকছে বেশি।

পাশাপাশি দেশীয় ইলেক্ট্রনিক্স ব্র্যান্ড এর কিছু কোম্পানি ও উদ্যোক্তাদের আশানুরূপ মুনাফা অর্জন করে ব্যবসায়িক পরিবেশ সৃষ্টি করতে সফল হয়েছে। দেশীয় কোম্পানি গুলো বিক্রয়ের কমিশন ও বাৎসরিক যে পরিমান লভ্যাংশ প্রদান করছে তাতে নতুন ব্যবসায়ীগণ দ্রুত প্রবৃদ্ধির দেখা পাচ্ছেন। অনেক সফল তরুণ উদ্যোক্তাদের দেখা গেছে তারা রতা রাতি জিরো থেকে অনেক বৃহৎ পরিসরে ব্যবসায় সম্প্রসার করতে পেরেছেন।

দেশীয় ইলেক্ট্রনিক্স ব্র্যান্ডএর কোম্পানি গুলোর ব্যবসায়ী নীতিমালা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়াল্টন, যমুনা, মার্সেল, মিনিস্টার, ভিশন ডিলারশিপ ব্যবসায় ভালো স্থান করে নিয়েছে। ওয়াল্টন অতিমাত্রায় পণ্য সহজলভ্য করার কারণে ডিলাররা কাঙ্ক্ষিত বিক্রয় কিংবা লভ্যাংশ নিশ্চিত করতে পারে না।

বিক্রির শীর্ষে থাকা এই কোম্পানীর ডিলার এর আলোচনায় একথা চলে এসেছে যে প্রচুর বিক্রয়ের চাপ ও লভ্যাংশ না থাকায় বেশিরভাগ ডিলারই হতাশা গ্রস্থ হয়েছে।একই ভাবে নিন্মমানের পণ্যর কারণে মিনিস্টার এর বিক্রয় হতাশাজনক ভাবে হ্রাস পাচ্ছে। পাশাপাশি ভিশন এর ব্যবসায় বৃদ্ধির পর্যাপ্ত সাপোর্ট দিতে না পারায় ডিলার ব্যবসায়ীগণ তাদের ব্যবসায় প্ৰবৃদ্ধি অর্জন করতে পারছে না। অন্যদিকে যমুনা ইলেক্ট্রনিক্স এর ব্যবসায়ীরা বিগত বছর গুলোতে ব্যবসায় করে দ্বিগুন মুনাফা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

বংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তর এবং প্রতিষ্ঠিত ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যের ডিস্ট্রিবিউটর (তাশফিয়া ইলেক্ট্রনিক্স)এর কর্ণধর জনাব, মোঃআবুল কালাম এর সাথে একান্ত সাক্ষাতে জানা গেছে ভোক্তা সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে এতো আধুনিক, বাহারি ডিজাইন কেবলমাত্র যমুনা ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যেই রয়েছে।অন্যান্য পণ্য বিক্রয় করে শতকরা যদি ১০/১৫ টি পণ্যের সার্ভিসিং করাতে হয় যেখানে যমুনার পণ্যে সর্বোচ্চ ২/৩ তা কমপ্লেইন মাঝে মধ্যে থাকে এবং দক্ষ নিবেদিত সার্ভিসিং টিম অতি দ্রুত সমাধান করে ভোক্তা সন্তুষ্টি ও ডিলারের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

যমুনা ইলেক্ট্রনিক্সই প্রথম দেশীয় পণ্যে যোগ করেছে আন্তর্জাতিক স্টেট অফ দা আর্ট স্ট্যান্ডার্ড।একমাত্র ৮৫ এম এম ফোমিং ইনসুলিন রেফ্রিজারেটর যমুনা ছাড়া অন্য কোনো কোম্পানি এখনো নিশ্চিত করতে পারে নাই এবং বিজ্ঞাপনে প্রলুব্ধকর প্রোডাক্ট ফিচার থাকলেও ডিলার এর মতে যমুনার তুলনায় সিঙ্গার/ ইকোপ্লাস সহ বাংলাদেশে অন্যান্য সকল লোকাল ব্র্যান্ড নিন্ম মানের। বিদ্যুৎ না থাকলেও ৫ দিন পর্যন্ত নিশ্চিন্তে থাকতে পারে, এমন পণ্য কেবল যমুনাই বানাতে পারছে।

তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যারা সফল ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে চান তাদের জন্য ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য বিপণন একটি সম্ভাবনাময় খাত। কারণ স্বল্প বিনিয়োগে, সঠিক ব্যবসায়ী চিন্তা ভাবনা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে এতো বেশি মুনাফা অর্জনের প্লাটফর্ম কেবলমাত্র এই সেক্টরেই সম্ভব।

একবিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তিগত বিপ্লবের এই যুগে প্রতিটি পরিবারে ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য শুধু প্রয়োজনই নয় বরং জীবনযাত্রার মানকেও করছে আধুনিক। তাই আধুনিকতার কথা চিন্তা করেও সকলের মাঝে ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য ব্যবহারের ঝোক বৃদ্ধির সাথে সাথে ইলেক্ট্রনিক্স ব্যবসায়ের ক্ষেত্রও দিন দিন বেড়েই চলেছে। যারা ভাবছেন কোন ব্যবসায়ে আপনার জন্য উপযুক্ত? আধুনিকতার এই যুগে দ্রুত মুনাফা এবং ব্যবসায়ী প্রবৃদ্ধির জন্য ইলেক্ট্রনিক্স ব্যবসায়ের কোনো বিকল্প নাই।

More News Of This Category