1. [email protected] : editorpost :
  2. [email protected] : jassemadmin :

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীর পৌনে দুই কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসার আগেই পৌনে দুই কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে বিমা খাতের কোম্পানি সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। কোম্পানিটির এই কর ফাঁকির তথ্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নিরীক্ষা গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত সময়ে উৎসে কর এবং স্থান ও স্থাপনা ভাড়া বাবদ মূসক হয়েছে এক কোটি ৮১ লাখ ৮৪ হাজার ১৫০ টাকা। কোম্পানির পক্ষ থেকে দেখানো হয়েছে ৮০ লাখ ৫১ হাজার ৫০৪ টাকা। অর্থাৎ এক কোটি এক লাখ ৩২ হাজার ৬৪৬ টাকার কর (ভ্যাট) ফাঁকি দিয়েছে কোম্পানটি।

আর এ কর ২০১৮ সালের অগষ্ট পর্য ন্ত পরিশোধ না করায় ২ শতাংশ হারে সুদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৭ লাখ ৬০ হাজার ৭৩৯টাকা। অর্থাৎ কোম্পানিটিকে ভ্যাট (কর) ফাঁকি বাবদ এনবিআরকে পরিশোধ করতে হবে এক কোটি ৬৮ লাখ ৯৩ হাজার ৪৮৫ টাকা।

মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯১ এর ধারা ৩৭ এর উপধারা ২ (খ) ও ৫৫ ধারা অনুযায়ী নিষ্পত্তি অনুসারে কোম্পানিটিকে এ টাকা সরকারি কোষাগারে প্রেরণের জন্য বলা হয়েছে। সম্প্রতি একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষকে।

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) অজিত চন্দ্র আইচ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘ভ্যাট কিংবা মূসক যাই বলেন, আমাদের কোনো ফাঁকি নেই। আমরা সঠিকভাবে দিয়েছি। এটি মিডিয়ার সৃষ্টি।‘

‘একবার ভ্যাট দিয়েছি এনবিআরকে, একই বিষয়ে যদি বার বার ভ্যাট আরোপ করে তাহলে আমাদের কে দিতে হবে?’- বলে উল্টো প্রশ্ন করেন তিনি। তিনি বলেন,‘এনবিআর যেই চিঠি পাঠাবে, তাই আমাদের মানতে হবে।’

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির বিষয়ে এমডি বলেন, ‘বিমা আইন অনুযায়ী নিবন্ধিত হওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারে বিমা কোম্পানিগুলো তালিকাভুক্ত হতে হয়।‘

২০১৩ সালে ব্যবসার জন্য বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) নিবন্ধন পাওয়ার পর পুঁজিবাজারে আসতে আবেদন করে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এখন যাচাই বাছাই করে অনুমোদন দেবে বলে জানান এমডি। তবে কোম্পানিটি গ্রাহকদের বিমা দাবি পরিশোধে গড়িমসির পাশাপাশি অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ও করছে।

More News Of This Category