1. editor@islaminews.com : editorpost :
  2. jashimsarkar@gmail.com : jassemadmin :

ইন্টারেস্ট ছাড়া কিস্তিতে রানার বাইক

বাংলাদেশের বাজারে রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডই প্রথম সর্বসাধারণের কাছে বাইক পৌঁছে দেয়ার লক্ষে সহজ কিস্তিতে বাইক বিক্রি শুরু করে। শুধু কিস্তি সুবিধা নয় সেই সাথে কোনো ধরনের ইন্টারেস্ট ছাড়াই রানারের বাইক ক্রয় করতে পাচ্ছেন ক্রেতারা। রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডের কর্পোরেট বিজনেস প্রধান আশিক আহমেদ জানান, কোনো ধরনের লাভ ছাড়াই রানার কিস্তিতে বাইক কেনার সুবিধা দিচ্ছে।কিছু সহজ শর্ত পূরণ করে যে কেউ তিন, ছয় এবং ১২ মাসের কিস্তিতে বাইক নিতে পারবেন।

এক্ষেত্র্র্রে ৩ মাসের কিস্তিতে কোনো ধরনের লাভ নেয়া হয় না। ৬ মাসের কিস্তিতে মাত্র ৯ শতাংশ লাভ নেয়া হয়। আর ১২ মাসের কিস্তিতে মাত্র ১২ শতাংশ লাভে আমাদের মোটরসাইকেল ক্রয় করতে পারবেন। তবে গাড়ির মডেল এবং কিস্তির ওপর নির্ভর করবে ডাউন্ড পেমেন্ট। ডাউন্ট পেমেন্ট সর্বনিম্ন ১৫ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ।

রানারের অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রত্যেকটি বাইকের ইঞ্জিনে ৬ বছর ওয়্যারেন্টি দেয়া হয়। এ সময়ের মধ্যে কোনো ধরনের সমস্যা বা ক্রুটি দেখা দিলে তা কোম্পানির পক্ষ থেকে মেরামত করে দেয়া হয়। ক্রয়ের তারিখ থেকে তিন বছরে ৯ বার ফ্রি সার্ভিসের সুযোগ দিচ্ছে কোম্পানিটি। সেক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৪ বার, দ্বিতীয় বছরে ৩ বার এবং তৃতীয় বছরে ২ বার। প্রতিটি বাইকের জন্য ক্রয়ের তারিখ থেকে এক বছরের বীমা সুবিধা দেয়া হয়। এ সুবিধার মধ্যে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর জন্য সর্বোচ্চ এক লাখ টাকার ব্যবস্থা রয়েছে।

জানা যায়, রানার চিতা এবং রানার বাইক-রিক্সি ছাড়া সব বাইকে উপহার হিসেবে রয়েছে টুল বক্স, হেলমেট, রেইন কোট, চাবির রিং, লেগ গার্ড, শারী গার্ড ইত্যাদি। কোম্পানিটির সারাদেশে ৩১০টি বিক্রয় কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ১৭৫টি বিক্রয় কেন্দ্র’র সঙ্গে আধুনিক সার্ভিস সেন্টার রয়েছে। রানারের সব খুচরা যন্ত্রাংশ সারাদেশে তাদের নিজস্ব সার্ভিস সেন্টার এবং বিক্রয় কেন্দ্রে পাওয়া যায়।

কিস্তিতে কেনার নিয়ম সম্পর্কে আশিক আহমেদ জানান, ক্রেতাকে প্রথমে মডেল পছন্দ করে ২০০ টাকা দিয়ে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হয়। আবেদনের পর তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করা হয়। সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ তিন কার্যদিবসের মধ্যে আবেদনকারীকে বাইক দিয়ে দেয়া হয়।

কিস্তিতে বাইক কিনতে যা যা লাগবে- ১. জাতীয় পরিচয়পত্র কিংবা পাসপোর্টের ফটোকপি; ২. স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানার প্রমাণপত্রস্বরূপ জন্মনিবন্ধন সনদ; বাসা ভাড়ার চুক্তিপত্র কিংবা ইউটিলিটি বিলের ফটোকপি; ৩. চাকরিজীবী হলে বেতনের স্লিপ কিংবা হিউম্যান রিসোর্সের চিঠি;

৪. ব্যবসায়ী হলে ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট কিংবা ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন। চাকরিজীবী হলে ব্যাংক স্টেটমেন্ট, বেতনের স্লিপ, ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন। কিস্তিতে বিক্রিত বাইকের রেজিস্ট্রেশন হবে রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডের নামে। কিস্তি শেষে নাম পরিবর্তন করে নেয়া যাবে।

More News Of This Category