1. editor@islaminews.com : editorpost :
  2. jashimsarkar@gmail.com : jassemadmin :

দোকান বন্ধ থাকায় দিনে ক্ষতি ১১শ’ কোটি টাকা

করোনাভাইরাসের কারণে গত এক মাস ধরে বন্ধ রয়েছে দেশের সুপার মার্কেট, মার্কেট ও দোকানসমূহ। আর এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। যাদের প্রতিষ্ঠানে ০১ থেকে ১৫ জনের নিচে কর্মচারী রয়েছে। দেশে এমন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৫৬ লাখ।

এসব ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় প্রতিদিন গড়ে ১১০০ কোটি টাকা লোকসানের শিকার হচ্ছেন তারা। এ হিসাবে গত ৩০ দিনে (২৫ মার্চ থেকে) মোট ৩৩ হাজার কোটি টাকা লোকসান হয়েছে এসব ব্যবসায়ীদের। এদিকে বন্ধের মধ্যে পহেলা বৈশাখের বাজারও হাতছাড়া হয় ব্যবসায়ীদের।

শুধু পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে শতভাগ দেশের বাজারের জন্য পণ্য তৈরি করে এমন ব্যবসায়ীদের লোকসানের পরিমাণ আরও ৬ হাজার কোটি টাকার ওপরে। বৈশাখের বাজার ও প্রতিষ্ঠান বন্ধ সব মিলিয়ে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা লোকসান ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের। সংশ্লিষ্টতা সূত্রে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি বলছে, করোনাভাইরাসের কারণে মার্কেটসমূহে ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়া এবং মালিক, শ্রমিক ও কর্মচারীদের ভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে প্রথমে সাত দিনের বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়। তবে পরিবেশ এখনও পুরোপুরি ইতিবাচক না হওয়ায় সরকারের ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে মোট চার দফা সময় বাড়ানো হয়েছে।

দোকান বন্ধ থাকায় এসব ব্যবসায়ীদের ঘরেই দিন কাটলেও অনেকেরই সঞ্চয় শেষের দিকে। একইসঙ্গে দোকান ভাড়া, কর্মচারীদের বেতন নিয়েও হিমশিম খেতে হচ্ছে। সার্বিক পরিবেশ পরিস্থিতির উত্তরণ না হলে পথে বসতে হবে এমন আশঙ্কা অনেক ব্যবসায়ীদের। আহমদ হোসেন টিকাটুলির রাজধানী মার্কেটের পোশাক ব্যবসায়ী। নিজের দোকানে কাজের পাশাপাশি আরও দুইজন কর্মচারী নিয়েছেন।

তিনি বলেন, গত ২৫ মার্চ থেকে আমার ব্যবসা বন্ধ রয়েছে। এখন দোকান খুলতে পারছি না। বেতন-ভাড়া, পরিবারের খরচ মেটানো কষ্টকর। এভাবে চললে পথে বসতে হবে আমাদের। আহমদের মতো আরও লাখো ব্যবসায়ীর চিত্রও একই। জানতে চাইলে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, একজনের অধিক ও ১৫ জনের নিচে কর্মচারী রয়েছে এমন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দেশে রয়েছে ৫৬ লাখ।

এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় প্রতিদিন গড়ে ১১০০ কোটি টাকা করে লোকসানে পড়ছেন। এ বিপুল পরিমাণ ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অবশ্যই সরকারের সহযোগিতার প্রয়োজন হবে। যেভাবেই হোক এটা নিয়ে সরকারকে ভাবতে হবে। রমজানে বা ঈদের আগে দোকান খুলতে পারবো কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তবে প্রত্যাশা করছি মাঝ রমজানে ঈদের আগে মার্কেটগুলো খুলতে পারব।

More News Of This Category